× প্রচ্ছদ জাতীয় সারাদেশ রাজনীতি বিশ্ব খেলা আজকের বিশেষ বাণিজ্য বিনোদন ভিডিও সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

নেত্রকোনায় পানি কমলেও গো-খাদ্যের সঙ্কট নানা রোগে আক্রান্ত গবাদিপশু

নেত্রকোনা প্রতিনিধি

২৮ জুন ২০২২, ১৬:২১ পিএম

বন্যায় সবকিছু তলিয়ে নষ্ট হওয়ার পর এখন নেত্রকোনার পানি নামতে শুরু করেছে। এই মূহুর্তে দেখা দিয়েছে গো-খাদ্যের তীব্র সঙ্কট। এমতাবস্থায় গবাদি পশু নিয়ে চরম বিপাকে পরেছেন প্রান্তিক পর্যায়ের ক্ষুদ্র খামারিরা। নানা রোগে আক্রান্ত

হচ্ছে গবাদি পশু। পাচ্ছে না চিকিৎসাও। বন্যায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে জানিয়ে ডাক্তার না থাকায় চিকিৎস্যা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলছে জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর।

টানা ১০/১২ দিন পানিবন্দী অবস্থায় মানবতার দিন কাটানোর কিছুটা নামতে শুরু করেছে বানের পানি। যদিও এখনো পুরোপুরি পানি কমেনি। ধীরগতিতে নামছে। এরই মধ্যে বানের জলে প্লাাবিত হয়েছে নেত্রকোনার ১০উপজেলার ৭৭ টি ইউনিয়নের সহস্রাধিক গ্রাম। পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে গবাদি পশুর খাদ্য ও বিস্তীর্ন চারণভূমির সবুজ ঘাস। এই মুহূর্তে জেলায় প্লাবিত হওয়া প্রতিটি এলাকাতেই চলছে গো-খাদ্যের তীব্র সংকট। সেইসাথে দেখা দিয়েছে পানিবাহিত নানা রোগ বালাই। এমতাবস্থায় গবাদি পশু নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন বানভাসি মানুষ। কেউ কেউ ভাইরাসে আক্রান্ত পশু নিয়ে আসছেন হাসপাতালে। সবমিলে ব্যাপক ক্ষতির মুখে সাধারণ পশু খামারিরা।

নেত্রকোনা সদর উপজেলার কেগাতি ইউনিয়নের কৃষক নূরুল ইসলাম জানান, এবার যে পানি হয়েছে ৪০ বছর বয়সে তিনি এমন পানি দেখেননি। হঠাৎ এক রাতের মধ্যেই ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের পানি চলে আসে ঘরে। ভাসিয়ে নিয়ে গেছে সবকিছু। কোন রকমে খেয়ে না খেয়ে গবাদিপশুসহ পরিবার পরিজন নিয়ে সড়কের পাশেই কেটেছে রাত দিন। এখন পানি নেমে গেলও দূর্ভোগ বেড়েছে কয়েকগুণ। গবাদিপশুর খাদ্য পঁচে নষ্ট হয়ে যাওয়াও চরম বিপাকে পরেছেন তিনি। তার মত একই অবস্থা আশপাশের অসংখ্য প্রান্তিক পর্যায়ের খামারির। ঈদকে সামনে রেখে নেত্রকোনার খামাড়ি ও কৃষক পর্যায়ে অন্তত ৯৪ হাজার পশু লালন পালন করা হচ্ছে। কিন্তু বাজারে গো খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় খরচ বেড়েছে কয়েকগুণ। এতে লোকশানের আশঙ্কা করছেন খামারিরা।

নেত্রকোনা জেলা পশু হাসপাতাল ঘুরে দেখা গেছে, বিভিন্ন এলাকা থেকে নানা রোগে আক্রন্ত পশু নিয়ে ভির করছেন খামারিরা। এমতাবস্থায় মাত্র একজন চিকিৎসক দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনায় হিমশিম খাচ্ছেন সংস্লিষ্টরা। সোমবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত অসংখ প্রান্তিক কৃষক পশুর নানা সমস্য নিয়ে আসছেন। চিকিৎসা দেয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানান সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ রেজভ আহমেদ। গুরুত্বর পশু নিয়ে হাসপাতালে  আসছেন অনেকেই। এদিকে বন্যায় গু-খাদ্যের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে জানিয়ে। পর্যাপ্ত ডাক্তার না থাকায় চিকিৎসা ব্যাহত হচ্ছে। তবে ভ্রাম্যমান মেডিকেল টিম পশু চিকিৎসায় মাঠে রয়েছে। ভ্যাকসিন দেয়া হচ্ছে জানিয়েছেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ শহীদুল্লাহ্ধসঢ়; । প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তরের দেয়া প্রাথমিক তথ্যমতে, এ বছর বন্যায় জেলার দেড় লাখ হেক্টর চারণভূমি প্লাবিত হয়েছে, এতে প্রান্তিক পর্যায়ের ২২৩টি পশু খামারের অন্তত ১৬ কোটি টাকারও বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।


Sangbad Sarabela

সম্পাদক: আবদুল মজিদ

প্রকাশক: কাজী আবু জাফর

যোগাযোগ: । 01894-944220 । sangbadsarabela26@gmail.com

ঠিকানা: বার্তা ও বাণিজ্যিক যোগাযোগ : বাড়ি নম্বর-২৩৪, খাইরুন্নেসা ম্যানশন, কাঁটাবন, নিউ এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা-১২০৫।

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2022 Sangbad Sarabela All Rights Reserved.