× প্রচ্ছদ জাতীয় সারাদেশ রাজনীতি বিশ্ব খেলা আজকের বিশেষ বাণিজ্য বিনোদন ভিডিও সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

কতৃপক্ষের গাফেলতিতে দুভোর্গের শেষ নেই নেত্রকোনা-কেন্দুয়া সড়কে

নেত্রকোনা প্রতিনিধি

০১ আগস্ট ২০২২, ১৫:৩১ পিএম

গত এক দশক ধরে নেত্রকোনা-কেন্দুয়া বেহাল সড়কে মানুষের ভোগান্তি এখন চরম পর্যায়ে দাঁড়িয়েছে। গেল কয়েক বছর ধরেই কাজ চললেও কতৃপক্ষের গাফেলতি কারনেই দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই বলছেন জনপ্রতিনিধিসহ স্থানীরা। ঝুঁকি নিয়েই গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কে চলছে যাত্রী পরিবহনসহ বিভিন্ন যানবাহন। দুর পাল্লার নাইটকোচসহ বেশিরভাগ পরিবহন চলাচল করে মদন আটপাড়া হয়ে অন্য সড়ক ঘুরে। সুস্থ যেকোন মানুষ এই সড়কে একদিন চলেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। সেক্ষেত্রে অসুস্থ মানুষদের আহাজারি শোনার কেউ নেই।  সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, নেত্রকোনা-কেন্দুয়া ২৭ কিলোমিটার সড়কের বেহাল দশা গত এক দশক ধরেই। এর আগে থেকেও প্রায় দেড় যুগ ধরে চলছে শুধু সংস্কার মেরামতের কাজ। কিন্তু দীর্ঘদিন বেহাল থাকায় গত ৫ থেকে ৬ বছর ধরে চলছে টেন্ডার প্রক্রিয়াই। এসব করতে করতে সড়কের আরও চলে গেছে তিন থেকে চার বছর। টেন্ডার হয় কিন্তু ঠিকাদার কাজ করে না। এমন করে তিন বছর ধরে হচ্ছে হবে করেই সময় পার করেছে সড়ক বিভাগ। অবশেষে গত বছরের ফেব্রুয়ারী এবং এপ্রিলে ঠিকাদার নিয়োগ হয়ে কার্যাদেশ হলেও কচ্ছপের গতিইে চলছে কাজ। 

সওজ সূত্রে জানা গেছে, নেত্রকোনা-কেন্দুয়া-আঠারবাড়ি-ইশ^রগঞ্জ ডেভলাপমেন্ট প্রকল্পের নেত্রকোনা-কেন্দুয়া ২৬ দশমিক ৭৪ কিলোমিটার কাজে ৩৫২ কোটি টাকা ব্যায়ে ৩ টি প্যাকেজে তিনজন ঠিকাদারের মাধ্যমে চলছে কাজ। তারমধ্যে ভূমি অধিগ্রহন রয়েছে ১৮২ কোটি টাকা। ১ নং প্যাকেজ এস এম বিল্ডার্স এবং তানভীর কনস্ট্রাকশন ৪৯ কোটি টাকা ব্যায়ে সাড়ে ৮ কিমি সড়ক, ২ নং প্যাকেজে মইন উদ্দিন বাশী এবং ভাউয়াল কনস্ট্রাকশন ৫০ কোটি টাকা ও ৩ নং প্যাকেজে মইন উদ্দিন বাশী ৪৫ কোটি টাকায় কাজ পেয়েছেন। 

কিন্তু গত একবছরে মদনপুর বাজার এবং কেন্দুয়ার মাত্র কয়েকশ মিটার কাজ করতে দেখা গেছে। কেন্দুয়ার অংশে মাত্র এক কিলোমিটারের মতো রোলার দিয়ে কেবল সমান করা হয়েছে। 

পুরোটাই পড়ে আছে বেহাল। সড়কে পথচারী, চালক, শিক্ষার্থী, বৃদ্ধ, জনপ্রতিনিধিসহ স্থানীয় সাধারণ মানুষের অভিযোগ বিস্তর। যে ক’জন চলাচল করেন কেন্দুয়া সড়কে তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে না পারতেই চলাচল করেন।

মদনপুর ইউপি চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান ফারাস দিলীপ বলেন, কতৃপক্ষের গাফেলতি আর অবহেলার মধ্যে চলছে এই সড়কের নির্মান কাজ। কোথাও কোথাও কিছিু জায়গায় কাজ শুরু করে ফেলে রাখায় আরও বিপর্যস্ত অবস্থা। সবটা সড়কের পিচ সুরকী তুলে দিলেও গর্তগুলো হতো না। এইটুকুও যদি করে রাখে তবুও মানুষ কিছুটা স্বস্তি পাবে। বৃষ্টি হলে গর্তগুলো ডুবে থাকে। গর্তে পড়ে দুর্ঘটনায় আহত হচ্ছে প্রায় প্রতিদিন। এছাড়া তো মাঝে মধ্যে নিহতের খবর পাই। উল্টে পাল্টে গাড়ি নষ্ট হয়। পাশাপাশি জানমালের ক্ষতি তো আছেই। শিক্ষার্থী সহ রোগীদের ভোগান্তি চরমে। অনেকে সড়কেই সন্তান প্রসব করেন।

সওজের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী রাজীব কুমার দাস নানা ধরনের যুক্তি তুলে ধরে জানান, যেহেতু ডেভলাপমেন্ট প্রকল্পের কাজ সেজন্য তারা সংস্কার কাজ করতে পারেন না। তবে ঠিকাদার নিয়োগ হয়েছে কিন্তু তাদেরকে তাগাদা দেয়া হচ্ছে। এছাড়াও অতিবৃষ্টির এলাকা হওয়ায় কাজ করতে সমস্যা। তারপরও তিনি যতদুর পারছেন চাপ দিচ্ছেন। 


Sangbad Sarabela

সম্পাদক: আবদুল মজিদ

প্রকাশক: কাজী আবু জাফর

যোগাযোগ: । 01894-944220 । sangbadsarabela26@gmail.com

ঠিকানা: বার্তা ও বাণিজ্যিক যোগাযোগ : বাড়ি নম্বর-২৩৪, খাইরুন্নেসা ম্যানশন, কাঁটাবন, নিউ এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা-১২০৫।

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2022 Sangbad Sarabela All Rights Reserved.