× প্রচ্ছদ বাংলাদেশ বিশ্ব রাজনীতি খেলা বিনোদন বাণিজ্য লাইফ স্টাইল ভিডিও সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

গাইবান্ধায় নিখোঁজের ৪ দিন পর সেই জতিশ ফিরলেন বাড়িতে

গাইবান্ধা প্রতিনিধি

২৫ নভেম্বর ২০২২, ১৮:০৮ পিএম

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় ঔষুধ কিনতে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছিলেন জতিশ চন্দ্র সরকার (৫৫) নামে এক ব্যবসায়ী। খোঁজিাখুঁজির পর বাড়ির অদূরে এক  পুকুর পাড় থেকে  তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেল-জুতা-হেলমেট উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনার ৪ দিন পর বাড়ি ফিরেছেন তিনি।

শুক্রবার (২৫ নভেম্বর) বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সাদুল্লাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) প্রদীপ কুমার রায়। বৃহস্পতিবার পুলিশের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে রাতে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। জতিশ চন্দ্র সরকার উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের তরফবাজিত (মধ্যপাড়া) গ্রামের মৃত গঁঙ্গাধর চন্দ্র সরকারের ছেলে।

এ বিষয়ে জতিশ চন্দ্রের ভাতিজা কাকন চন্দ্র বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে থানা পুলিশ তাকে পরিবারের কাছে ফিরে দিয়েছেন। পারিবারিক অভিমানে সিলেট গিয়ে নিজেই আত্নগোপনে ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন  কাকন চন্দ্র।

এর আগে রবিবার (২০ নভেম্বর) রাত প্রায় সাড়ে ১০টার দিকে সাদুল্লাপুর শহরের তার দোকান বন্ধ করে বাড়ি যান জতিশ। এরই মধ্যে রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঔষুধ কেনার জন্য আবার সাদুল্লাপুর আসেন। এরপর দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও বাড়ি না ফেরায় স্বজনরা খোঁজাখুঁজি করতে থাকে। এরই একপর্যায়ে সোমবার সকালে তরফবাজিত এলাকার সিরাজুল ইসলামের রাইস মিল সংলগ্ন পুকুর পাড়ে জতিশ চন্দ্রের জুতা, হেলমেট ও ডিসকভার মোটরসাইকেল পড়ে থাকতে দেখেন এলাকাবাসী। এরপর পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের দল ঘটনা স্থলে এসে পুকুরে খোঁজাখুঁজি করে কিন্তু জতিশ চন্দ্রকে পায়নি তারা। 

এ ঘটনাটি চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হলে জেলা-থানা পুলিশের দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। নিখোঁজ জতিশ চন্দ্র সরকারকে অনুসন্ধান অব্যাহত রেখে অবশেষে সন্ধান পেয়ে বৃহস্পতিবার রাতে তাকে স্বজনদের হাতে তুলে দেন আইনশৃঙ্খল রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

Sangbad Sarabela

সম্পাদক: আবদুল মজিদ

প্রকাশক: কাজী আবু জাফর

যোগাযোগ: । 01894-944220 । sangbadsarabela26@gmail.com, বিজ্ঞাপন: 01894-944204

ঠিকানা: বার্তা ও বাণিজ্যিক যোগাযোগ : বাড়ি নম্বর-২৩৪, খাইরুন্নেসা ম্যানশন, কাঁটাবন, নিউ এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা-১২০৫।

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2022 Sangbad Sarabela All Rights Reserved.