× প্রচ্ছদ বাংলাদেশ বিশ্ব রাজনীতি খেলা বিনোদন বাণিজ্য লাইফ স্টাইল ভিডিও সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

চলাচলের জন্য উন্মুক্ত কুতুবদিয়া পিলটকাটা খালের ওপর নির্মিত সেতু

কক্সবাজার প্রতিনিধি

২৪ জুলাই ২০২৩, ১৬:৪২ পিএম

‘আমাদের অনেক দিনের দাবি পূরণ হয়েছে। কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলার পিলটকাটা খালের ওপর লেমশীখালী ও কৈয়ারবিল সংযোগ সেতু নির্মিত হওয়ায় এখন সড়কে ট্রাক চলবে নির্বিঘ্নে। আমরা এখন খেতে উৎপাদিত লবণ সরাসরি ট্রাকে করে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠাতে নদীর পাড়ে নিতে পারব । এতে পণ্যের দামও পাব।’ কুতুবদিয়ার লবণচাষি নুরুল আমিনের কথায় ঝরে পড়ে উচ্ছ্বাস। 

পিলটকাটা নদীর ওপর নির্মিত সেতু তাঁর মতো আরও অনেক মানুষের জন্য সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লেমশীখালী ও কৈয়ারবিল সংযোগ সেতু উদ্বোধন করার কথা রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় উপজেলা প্রকৌশলী মো. কফিল উদ্দিন কবির।

স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ পাকা সেতু পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। সেতুটি নির্মাণের ফলে দ্বীপের লেমশীখালী ও কৈয়ারবিল বাসিন্দারা যাতায়াতে সুবিধা পাবেন। পাশাপাশি এসব এলাকার উৎপাদিত  মাছ ও লবণ  এখন থেকে বিভিন্ন স্থানে সরবরাহের কাজটি সহজ হবে।

স্বপ্নপূরণের মাইলফলক মন্তব্য করে এটি ঈদ আনন্দের চেয়েও বেশি বলেছেন দ্বীপের বাসিন্দারা। দ্বীপের বাসিন্দারা বলেন, দ্বীপে এটা যেন অবিশ্বাস্য একটা ঘটনা। এখন দ্বীপবাসির বিদ্যুৎতের সুবিধা ভোগ করছে এর মধ্যে আবার খালের ওপর নতুন সেতু এটি এক মাত্র সম্ভাব হয়েছে মহেশখালী-কুতুবদিয়ার সংসদ সদস্য ক্যারিশমেটিক এমপি, সমুদ্র পাড়ের আশেক উল্লাহ রফিকের নিরলস প্রচেষ্টায়।

জানা গেছে,যুগ যুগ ধরে শুধু যাতায়াত ব্যবস্থা না থাকায় স্বাস্থ্যসেবা, কর্মসংস্থান, অবকাঠামো উন্নয়ন, উন্নত জীবনযাপনসহ সবদিক থেকে বঞ্চিত ছিল  দ্বীপ উপজেলা কুতুবদিয়ার দু’ ইউনিয়নের প্রায় অর্ধলক্ষ মানুষ।

পশ্চিমে কৈয়ারবিলের সেন্টার স্টেশন ও পূর্বে লেমশীখালী ইউনিয়নের মতি বাপের পাড়াসহ ৪-৫টি গ্রামকে বিভক্ত করে রেখেছিল পিলটকাটা খাল। এই বিভক্ততার সংযুক্তি ঘটাতে গভীরতম ওই পিলটকাটা খালের বুকে নির্মিত হয়েছে ৬০ মিটার দৈর্ঘ্যরে দৃষ্টিনন্দন ‘লেমশীখালী ও কৈয়ারবিল সংযোগ সেতু’। সূত্রে জানা যায়, বন্যা পুনর্বাসন প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে দীর্ঘ এ সেতুটি নির্মাণ করেছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর। নবনির্মিত এই সেতুটি সাদা-কালো রঙে সাজানো হয়েছে। নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর থেকেই বেড়ে গেছে স্থানীয়দের পদচারণা।

সেতুটির নির্মাণকাজের সূচনা হওয়ার পর থেকে উন্নত জীবনযাপন ও আধুনিকতার স্বপ্নকে বুকে ধারণ করে আসছেন লেমশীখালীর ৪-৫টি গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ। সেতু নির্মাণের পর যত স্বস্তি! তবে নির্মাণের আগে গভীর ওই খাল দিয়ে লেমশীখালী থেকে উপজেলায় যাতায়াত করার পেছনের গল্প বেশ ভয়ংকর। 

Sangbad Sarabela

সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী আবু জাফর

যোগাযোগ: । [email protected] । বিজ্ঞাপন ও বার্তা সম্পাদক: 01894944220

ঠিকানা: বার্তা ও বাণিজ্যিক যোগাযোগ : বাড়ি নম্বর-২৩৪, খাইরুন্নেসা ম্যানশন, কাঁটাবন, নিউ এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা-১২০৫।

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 Sangbad Sarabela All Rights Reserved.