× প্রচ্ছদ বাংলাদেশ বিশ্ব রাজনীতি খেলা বিনোদন বাণিজ্য লাইফ স্টাইল ভিডিও সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

বুড়িতিস্তা অববাহিকা উত্তাল, ৭০০ কৃষকের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদে মশাল মিছিল

মো. সাইফুল ইসলাম, নীলফামারী প্রতিনিধি।

০৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:৩৭ এএম

ছবি: সংবাদ সারাবেলা।

নীলফামারীর ডোমার, ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার সীমানায় অবস্থিত বুড়িতিস্তা সেচ প্রকল্প এলাকা উত্তপ্ত জনপদে পরিণত হয়েছে। জলাধার খননকে কেন্দ্র করে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ও স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে চলমান বিরোধ শনিবার রাতে চরম আকার ধারণ করে। প্রায় ৭০০ কৃষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রতিবাদে হাজার হাজার মানুষ হাতে মশাল নিয়ে রাজপথে নেমে আসেন।

শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাতে বুড়িতিস্তা এলাকায় মশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা পাউবোর দায়ের করা মামলাকে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক আখ্যা দিয়ে অবিলম্বে তা প্রত্যাহারের দাবি জানান। 

তাদের অভিযোগ, পৈতৃক সূত্রে পাওয়া তিন ফসলি জমি রক্ষার আন্দোলন দমন করতেই গণহারে কৃষকদের আসামি করা হয়েছে।

পাউবোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জলঢাকা থানায় শুক্রবার ও শনিবার পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছেন উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী জুলফিকার আলী। মামলায় ১৯ ও ২২ জন নামীয়সহ মোট ৬৯১ জন অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। অভিযোগে সরকারি কাজে বাধা, জমি দখল, আনসার ক্যাম্পে হামলা এবং ঠিকাদারের যন্ত্রপাতি ভাঙচুর ও লুটপাটের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। পাউবোর দাবি, ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত।

এদিকে মশাল মিছিলে অংশ নেওয়া কৃষকরা জানান, ১৯৬৮ সাল থেকে প্রায় ১ হাজার ২১৭ একর জমি তারা ভোগদখল করে আসছেন। ডিমলা ও জলঢাকার পাঁচটি মৌজার এসব জমিতে কোনো বৈধ অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি বলে তাদের দাবি। কৃষকদের ভাষ্য, ২০১০ সালে উচ্চ আদালত তাদের পক্ষে রায় দিয়েছিলেন। এখন জোরপূর্বক জলাধার খনন করে তাদের জীবন-জীবিকা হুমকির মুখে ফেলা হচ্ছে।

নীলফামারী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আতিকুর রহমান বলেন, বুড়িতিস্তা সেচ প্রকল্পের জমি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নামে রেকর্ডভুক্ত এবং নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সীমানা যাচাই করেই খননকাজ শুরু হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে প্রায় পাঁচ হাজার কৃষক সরাসরি উপকৃত হবেন। যারা জমির মালিকানা দাবি করছেন, তা আইনত সঠিক নয় বলেও তিনি দাবি করেন।

জলঢাকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল আলম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Sangbad Sarabela

সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী আবু জাফর

যোগাযোগ: । [email protected] । বিজ্ঞাপন ও বার্তা সম্পাদক: 01894944220

ঠিকানা: বার্তা ও বাণিজ্যিক যোগাযোগ : বাড়ি নম্বর-২৩৪, খাইরুন্নেসা ম্যানশন, কাঁটাবন, নিউ এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা-১২০৫।

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 Sangbad Sarabela All Rights Reserved.