রাত থেকে সকাল পর্যন্ত শীতল বাতাসে বাড়ছে কাঁপুনি। গত কয়েকদিন থেকে সূর্যের দেখা মিলছে না। এতে করে ভোগান্তিতে পড়েছে খেঁটে খাওয়া সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে কষ্ট বেড়েছে চরাঞ্চলের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর। কুড়িগ্রাম রাজারহাট আবহাওয়া ও কৃষি পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় জেলায় সবনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের দিনমজুর খলিলুর রহমান ও জয়দেব বলেন, শীতের কারণে সকালে কাজে যাইতে দেরি হয়। ঠান্ডায় হাত-পা চলতে চায় না, তবু কাজ না করে উপায় নাই। নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নের ছকিনা বেওয়া (৬৫) বলেন, এই শীতে রাইতে দুই- একখান খ্যাতা গাঁত দিয়ে শুতি, খুব ঠান্ডা লাগে।
কাইয়ো মোক কম্বল দিলো না।নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নের ছকিনা বেওয়ার (৬৫) বলেন,এই শীতের রাইতে দুই- একখান খ্যাতা গাঁত দিয়ে শুতি, খুব ঠান্ডা লাগে। কাইয়ো মোক কম্বল দিলো না’।তার মতো বহু বৃদ্ধার শীতে অনেক কষ্ট হচ্ছে।কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা খায়রুল ইসলাম বলেন, অতিরিক্ত ঠান্ডায় আমার ছেলের কয়েক দিন থেকে ডাইরিয়া শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে কুড়িগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. স্বপ্নন কুমার বিশ্বাস বলেন, জেলায় শীতজনিত রোগে আক্রান্তদের সংখ্যা দিন দিন বেড়ে চলছে।
কিছু রোগী হাসপাতালের আউটডোরে চিকিৎসাসেবা নিচ্ছেন। আবার কিছু কিছু রোগী হাসপাতালের ভর্তি হচ্ছেন। কুড়িগ্রাম জেলা শাখার ত্রাণ ও পূর্ণবাসন কর্মকতা আব্দুল মতিন জানান, ৯টি উপজেলায় ২৫ হাজার শীতবস্ত্র বিতরণ চলছে ও নগদ ৪০ লক্ষ টাকা মজুদ আছে।