চট্টগ্রাম নগরীতে চেকপোস্টে তল্লাশির সময় উদ্ধার হওয়া বিপুল পরিমাণ ইয়াবা যথাযথ আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে আত্মসাৎ এবং সংশ্লিষ্ট এক পুলিশ সদস্যকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে আট পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
সোমবার চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনারের নির্দেশে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) ওয়াহিদুল হক চৌধুরী।
বরখাস্ত হওয়া সদস্যরা হলেন— বাকলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ আল-আমিন সরকার, এসআই মোহাম্মদ আমির হোসেন (বর্তমানে কোতোয়ালি থানায় সংযুক্ত), সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সাইফুল আলম, মো. জিয়াউর রহমান, মো. সাদ্দাম হোসেন, এনামুল হক, কনস্টেবল মো. রাশেদুল হাসান ভূঁঞা এবং নারী কনস্টেবল উম্মে হাবিবা।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে বাকলিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তানভীরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পুলিশ সদর দপ্তরে প্রয়োজনীয় চিঠি পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে শাহ আমানত সেতু সংলগ্ন বাকলিয়া থানা এলাকায় ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় এক পুলিশ সদস্যের কাছ থেকে আনুমানিক ৮০ হাজার থেকে এক লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তবে উদ্ধারকৃত মাদক আইনি প্রক্রিয়ায় জব্দ না করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তা আত্মসাৎ করেন এবং ইয়াবা বহনকারী ওই পুলিশ সদস্যকে ছেড়ে দেওয়া হয়—এমন অভিযোগ ওঠে।
ঘটনাটি নজরে আসার পর অভ্যন্তরীণ তদন্তের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সাময়িক বরখাস্তসহ বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সিএমপি।