জামালপুরে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ এর ঘটনায় ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—চান্দেরহাওড়া গ্রামের মৃত বাদশা মিয়ার ছেলে মো. ফরহাদ মিয়া (৩০), একই গ্রামের আয়েজ আলীর ছেলে মো. আজম (২৪) ও মৃত রেজাউল ইসলামের ছেলে রাহাত আলী রৌদ্র (২৪)। মামলার অন্য আসামিরা হলেন—পশ্চিম আড়ংহাটি গ্রামের মো. সামছুদ্দিন উরফে সম চৌধুরীর ছেলে মো. সুমন উরফে পঁচা (২৪) এবং গগণপুর গ্রামের মৃত আইন উদ্দিন মাষ্টারের ছেলে মো. পলাশ। তাদের জামালপুর বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে ।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মেষ্টা ইউনিয়নের চান্দেরহাওড়া গ্রামের ঝিনাই নদীর পাড়ে স্বামীকে বেঁধে রেখে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে নারী নিজেই ৬ জানুয়ারি জামালপুর সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। অভিযুক্ত রাহাত আলী কাজের কথা বলে গৃহবধুকে ডেকে নিয়ে যায়। বিষয়টি টের পেয়ে গৃহবধূও পিছু নিলে ঝিনাই নদীর তীরে গিয়ে দেখেন, তার স্বামীকে বেঁধে রাখা হয়েছে। সেখানে উপস্থিত পাঁচজনের মধ্যে কয়েকজন তাকে জোরপূর্বক একটি ভুট্টাক্ষেতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে।
এ সময় ভুক্তভোগীর স্বামীকে আটক করে রাখা হয় এবং পরে তাদের মোবাইল সিম খুলে টাকা দাবি করা হয় বলে মামলায় উল্লেখ রয়েছে। ঘটনার বিষয়ে কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়।
স্থানীয়রা জানান, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে মাদকসেবন ও বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত ছিল। তাদের ভয়ে সাধারণ মানুষ অনেকটাই আতঙ্কে থাকতো। তারা অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।এ
এ বিষয়ে জামালপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো: মিজানুর রহমান জানান, তাদের গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
জামালপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ইয়াহিয়া আল মামুন জানান, অভিযোগের পরপরই অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলছে এবং ফরেনসিক মতামত নেওয়া হবে। পাশাপাশি বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।