নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলায় পরিবেশবিধি লঙ্ঘনের দায়ে চারটি অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এসব ইটভাটা থেকে মোট ১৯ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। একই সঙ্গে এক্সকাভেটর দিয়ে ভাটাগুলোর কিলন গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় এবং বিপুল পরিমাণ কাঁচা ইট ধ্বংস করা হয়। বৃহস্পতিবার পরিবেশ অধিদপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট উইং এবং পরিবেশ অধিদপ্তর নীলফামারী জেলা কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্ব দেন পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজ্জাদ জাহিদ রাতুল। প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পরিবেশ অধিদপ্তর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন।
অভিযানকালে সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের এমদাদুল হকের মালিকানাধীন সোনার বাংলা ব্রিকস, দলুয়া কামারপুকুর এলাকার সুরেশ সিংহানিয়ার মালিকানাধীন বিপিএল-২, এজাজ আহমেদের মালিকানাধীন এএসবি ব্রিকস এবং কদমতলী এলাকায় অবস্থিত ওবায়দুল ইসলামের মালিকানাধীন ব্রিকস লিংক লিমিটেডে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
পরিদর্শনে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ও ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়ায় এসব ইটভাটার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অভিযানের সময় সেনাবাহিনী, পুলিশ, র্যাব ও ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করেন।
পরিবেশ অধিদপ্তর নীলফামারী এর সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, “পরিবেশ ও জনস্বার্থবিরোধী অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আইন লঙ্ঘনকারীদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।” এই অভিযানের মাধ্যমে পরিবেশ সুরক্ষায় সরকারের কঠোর অবস্থানের স্পষ্ট বার্তা পৌঁছেছে বলে মনে করছেন