× প্রচ্ছদ বাংলাদেশ বিশ্ব রাজনীতি খেলা বিনোদন বাণিজ্য লাইফ স্টাইল ভিডিও সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

অবৈধ দখল দূষনে অস্তিত্ব হারাচ্ছে জিয়াউর রহমানের নিজ হাতে খনন করা খাল, বিপাকে কৃষক

দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ

১১ জানুয়ারি ২০২৬, ১৫:৩৮ পিএম

দুমকীতে দুটি সুইসগেট অকেজো অভ্যন্তরীণ পিরতলা খালের অব্যাহত দখল ভরাটে ৫ কিলোমিটার বিস্তৃত খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বন্ধ থাকায় শ্রীরামপুর ইউনিয়নের অন্তত ৫০০ হেক্টর কৃষি জমির ইরি-বোরা ও রবি ফসলের চাষাবাদ মারাত্মক হুমকির মুখে রয়েছে।

উপজলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের জানের খালে গাবতলী সুইসগেট থেকে পিরতলা বাজার হয়ে পাতাবুনিয়া নদী এবং খুরমাতলা থেকে আংগারিয়া সুইসগেট হয়ে পায়রা নদীর সংযোগের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ খালটি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৮১ সালে খনন করেন।সংস্কার না হওয়ায় দখল দূষনে মৃত প্রায় খালটি। 


অবৈধ দখল দূষনে জোয়ার-ভাটার স্বাভাবিক পানি প্রবাহ আটকে থাকায় শ্রীরামপুর ও আংগারিয়া ইউনিয়নের অন্তত ৯০০ হেক্টর জমিতে ফসলের চাষাবাদ মারাত্মক ব্যাহত হচ্ছে। এতে দুই ইউনিয়নের অন্তত তিন সহস্রাধিক কৃষিজীবী পরিবার প্রতি বছর আউশ, আমন, ইরি-বোরা ও রবি ফসলে মার খাচ্ছেন। খালের উভয় প্রান্তে পাউবোর সুইসগেট দুটি অকেজো এবং বন্ধ থাকায় অভ্যন্তরীণ কৃষি জমিতে পানি ওঠানামা করতে পারছে না। অপর দিকে পানির প্রবাহ না থাকায় বিগত কয়েক বছরে বিভিন্ন স্থান ভরাট হতে হতে অস্তিত্বের সংকট দেখা দিয়েছে। এ সুযোগে পিরতলা বাজার এলাকায় খালের বেশির ভাগ প্রভাবশালীদের দখলে চলে যাওয়ায় এটিকে আর খাল বলার উপায় নেই। এমন অবৈধ দখল-দূষণে মৃতপ্রায় খালের দুই পারের শত শত হেক্টর ফসলি জমিতে শুষ্ক মৌসুমে সেচ সংকট আর বর্ষা মৌসুমে কৃত্রিম জলাবদ্ধতায় কৃষকরা তাদের ফসলে মার খেতে খেতে চাষাবাদের আগ্রহ হারাতে বসেছেন। শ্রীরামপুর গ্রামের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. মিলন মৃধা (৩৮) জানান, বৃষ্টির মৌসুমে আমনের ফলন নষ্ট হয়েছে। একই অভিযাগ ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কৃষক মোসলেম খান (৫৫) রাজাখালী ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কৃষক নুরু হাওলাদার, জলিশা গ্রামের কৃষক সৈয়দ আতিকুল ইসলামসহ অনেক কৃষকের। তাদের দাবি আবদ্ধ খালটি খুলে দেওয়া এবং জোয়ার-ভাটায় পানি-ওঠানামা স্বাভাবিক হলে চাষাবাদে কৃষকরা উপকৃত হবে। তাই অবিলম্বে পাউবোর অকেজো সুইসগেট দুটি দ্রুত মেরামত এবং খাল অবৈধ দখলমুক্ত করে স্বাভাবিক পানি প্রবাহের জন্য খুলে দিতে হবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো.ইমরান হোসেন বলেন, দুমকিতে ছোট বড় প্রায় ১৪টি সুইসগেইট রয়েছে।  সব কয়টিই অকেজো।  আমরা পানি উন্নয়ন বোর্ডকে বার বার অবহিত করেছি। তারা কোনো ব্যবস্থা নেন নি। সুইসগেইট অকেজোর কারনে কৃষকরা সময়মত পানি না পাওয়ায় বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।  উৎপাদনে লক্ষ মাত্রায় পৌঁছাতে পারছে না।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. ফরিদা সুলতানা বলেন, আমি কোনো পদক্ষেপ নিইনি। সামনে নির্বাচন, নির্বাচনি জনিত কাজগুলো করতেছি। নির্বাচনের পরে পদক্ষেপ নিব।

Sangbad Sarabela

সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী আবু জাফর

যোগাযোগ: । [email protected] । বিজ্ঞাপন ও বার্তা সম্পাদক: 01894944220

ঠিকানা: বার্তা ও বাণিজ্যিক যোগাযোগ : বাড়ি নম্বর-২৩৪, খাইরুন্নেসা ম্যানশন, কাঁটাবন, নিউ এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা-১২০৫।

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 Sangbad Sarabela All Rights Reserved.