নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় পুলিশের প্রতি একাধিক দাবি জানিয়ে সিএনজি চালকরা গাড়ি চালানো বন্ধ রেখেছেন। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল থেকে সিএনজি চলাচল বন্ধ থাকায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে সারিবদ্ধভাবে গাড়িগুলো দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। এতে করে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।
সিএনজি চালকদের অভিযোগ, প্রায় প্রতিদিন রাতে পুলিশের টহল কার্যক্রমে তাদের গাড়ি ব্যবহার করা হয়। তবে এসব কাজে ব্যবহৃত গ্যাসের খরচ চালকদের নিজেদের বহন করতে হয়। সারারাত টহলে ছুটে চললেও তাদের জন্য খাবার কিংবা নাস্তার কোনো ব্যবস্থা রাখা হয় না বলে অভিযোগ করেন তারা।
একজন সিএনজি চালক বলেন,পুলিশের দায়িত্ব পালনে আমরা সহযোগিতা করি। কিন্তু গ্যাস আমাদের নিজের, সারারাত গাড়ি চালালেও এক কাপ চা বা নাস্তার ব্যবস্থাও থাকে না। এতে আমাদের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে।
চালকদের দাবি, রাতের টহল কাজে ব্যবহৃত গ্যাসের খরচ পরিশোধ করতে হবে এবং টহলকালীন খাবারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। এসব দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা গাড়ি চালানো বন্ধ রাখবেন বলে জানান।
এদিকে সিএনজি চলাচল বন্ধ থাকায় উপজেলা সদরের বিভিন্ন সড়কে যাতায়াতে ভোগান্তিতে পড়েছেন শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষ ও রোগীরা। অনেককে বিকল্প যানবাহনের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে দেখা গেছে।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, সিএনজি চালকদের দাবিগুলো যৌক্তিক। তারা বলেন, যাদের কাছ থেকে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করা হয়, তাদের মাধ্যমেই যদি কেউ অন্যায় বা জুলুমের শিকার হয়, সেটি কাম্য নয়। দ্রুত বিষয়টি সমাধান হওয়া প্রয়োজন।