কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের বৈরাগীর চরে সংঘটিত মহিষের বাথান লুটের ঘটনায় চার্জশিট ভুক্ত অন্যতম আসামি আমাদুলকে গ্রেপ্তার করেছে দৌলতপুর থানা পুলিশের চৌকশ অভিযানিক দল।
তথ্যসূত্রে জানা গেছে (১২জানুয়ারি২০২৫) তারিখে দৌলতপুর উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের একটি মহিষের বাথান থেকে ৪৬টি মহিষ লুট করা হয়।অভিযোগ অনুযায়ী,মরিচা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান সাইদুর রহমানের নেতৃত্বে এই লুটপাট সংঘটিত হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আমাদুল ওই মামলার তদন্তপ্রাপ্ত চার্জশিটভুক্ত আসামি সে সাইদুর রহমানের ভাই মোজাফফরের জামাই এবং আলোচিত সন্ত্রাসী জাকির বাহিনীর প্রধান জাকিরের বোন জামাই বলে জানা গেছে।
লুট হওয়া মহিষের বাথান মালিক সাইদ মন্ডল ও তার স্ত্রী ঘটনার পর দৌলতপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, লুটের সময় সন্ত্রাসীরা বাথানের রাখাল মাজদার আলী (৫০),কামাল হোসেন (৩৫) ও সৈকত (৩৫)-কে বেধড়ক মারধর করে এবং অস্ত্রের মুখে অপহরণ করে পার্শ্ববর্তী রহিমপুর মাঠে নিয়ে আটকে রাখে।
পরে লুট করা মহিষগুলো ট্রাকে করে অন্যত্র পাচার ও বিক্রি করে দেওয়া হয়।
দৌলতপুর থানা পুলিশ দীর্ঘদিন নিবিড় তদন্তের পর মহিষ লুটের ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।
পুলিশের বিশেষ তৎপরতায় ঘটনার পরপরই লুট হওয়া মহিষের মধ্যে ৫টি উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
এবিষয়ে দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আরিফুর রহমান বলেন,গ্রেফতারকৃত আসামি আমাদুলকে ওয়ারেন্টমূলে গ্রেফতার করা হয়েছে,পরবর্তী কার্যক্রম সম্পন্ন করে আদালতে প্রেরনের ব্যাবস্থা প্রকৃয়াধীন।