৭১,পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনে ধানের শীষ প্রতিকের বিরুদ্ধে মোটর সাইকেল প্রতিক পেয়ে মোটর সাইকেলে চেপেই প্রচারণা শুরু করেছেন জাকারিয়া পিন্টু। গত বুধবার (২১ জানুয়ারি) কেন্দ্রীয় বিএনপির জ্যেষ্ঠ মহাসচিব এডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক আদেশে এই বহিষ্কার করা হয়। জাকারিয়া পিন্টু পাবনা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
পাবনা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব এডভোকেট মাকসুদুর রহমান খন্দকার বলেন, দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে ধানের শীষ প্রতিকের বিরুদ্ধে মোটর সাইকেল প্রতিক নিয়ে নির্বাচনী মাঠে থাকায় জাকারিয়া পিন্টুকে দলীয় শঙ্খলা ভঙ্গের অপরাধে দলের সাধার সদস্যপদসহ সকল পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
জাকারিয়া পিন্টুর সমর্থক ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সুত্রে জানা যায়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাকারিয়া পিন্টু নির্বাচনী প্রতিক মোটর সাইকেল পাওয়ার পরই মোটর সাইকেলে চেপে প্রচারণা শুরু করেছেন। এক সমর্থকের দেওয়া সকলের কাঙ্খিত ব্যন্ড রয়েলে ইনফিল্ড মোটর সাইকেলে চেপে চলাফেরার মাধ্যমে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন।
এ বিষয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী জাকারিয়া পিন্টু বলেন, দলের হাইকমান্ড থেকে বারবার ভুল সিদ্ধান্ত তৃণমুল নেতাকমর্ীদের উপর চাপিয়ে দিয়েছেন। এর প্রতিবাদে ও বিএনপির তৃণমুল নেতাকর্মীসহ জনগণের দাবীতে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছি।
তৃণমুল নেতাকর্মী ও জনগণের মতামত এবং দাবী উপেক্ষা করা একজন আদর্শিক নেতার শোভা পায়না দাবী করে পিন্টু বলেন, তৃণমুল নেতাকর্মী ও জনগণের প্রতি সম্মান রাখতেই আমি প্রার্থী হয়েছি। তৃণমুল বিএনপি ও জনগণ আমার পক্ষে রয়েছে দাবী করে জাকারিয়া পিন্টু বলেন, ভোটাররা নিরাপদে ভোট কেন্দ্রে যেতে পারলে এবং ভোটে কারচুপি করা না হলে আমার বিজয় সুনিশ্চিত। দল থেকে বহিষ্কারের বিষয়ে জাকারিয়া পিন্টু বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শের সৈনিক হিসেবে আমি তৃণমুল থেকে উঠে এসেছি। তাই আমরা বহিষ্কারকে ভয় করি না।
সংসদ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সুত্রে জানা যায়, ৭১, পাবনা-৪ আসনটি ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত। আসনটির দুই উপজেলা ব্যাপি মোট ভোটারের সংখ্যা ৪ লাখ ৩৭ হাজার ১৪৫। এরমধ্যে ঈশ্বরদীতে ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৯১ হাজার ৬০৭। কেন্দ্র সংখ্যা-৮৪।
আটঘরিয়া উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা এক লাখ ৪৫ হাজার ৫৩৮। কেন্দ্র সংখ্যা-৪৫।