গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় ৬জনকে গ্রেপ্তার করেছে গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ
থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ২৫শে জানুয়ারী (রবিবার) রাত সাড়ে আটটার দিকে গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ এসআই শিবলী কায়েস মীর ও এস আই সেলিম রেজা দ্বয়ের নেতৃত্বে একটি টিম, বাগদা বাজার এলাকায় উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক এবং কাটাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জোবায়ের হাসান শফিক মাহমুদ গোলাপকে গ্রেপ্তার করতে তাঁর বাড়িতে যায় । এ সময় তার সমর্থিত আওয়ামীলীগের দোসর অনুমান ৫০/৬০ জন পুলিশকে অতর্কিত হামলা করে বাড়ির ভিতরে পুলিশ সদস্যদের অবরুদ্ধ করে ব্যাপক মারধর করে আহত করেন এবং পুলিশের দুইটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে আওয়ামী লীগের লোকজন। একপর্যায়ে এসআই সেলিম রেজা এবং এসআই কায়েস, মমিনিল আহত হন। পরে পুলিশ সুপার জসিম উদ্দীনের নির্দেশে সহকারী পুলিশ সুপার (সি-সার্কেল) এবিএম রশীদুল বারী’র নেতৃত্বে একটি টহল পুলিশ দল এসে তাদের গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেই সংক্রান্তে গোবিন্দগঞ্জ থানার এস আই আখতারুজামান বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। যাহার মামলা নম্বর- ২৭ তারিখ ২৬/০১/২৬। মামলার পেক্ষিতে গত ভোর রাত্রিতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করিয়া এজাহার নামীয় মোট ৬ জন আসামি গ্রেফতার করে থানা পুলিশ।
এজাহার নামীয় আসামীরা হলেন- গোবিন্দগঞ্জ জেলার ১ নং কাটাবাড়ি গ্রামের আলাউদ্দিনের ছেলে মো. নুরুজ্জামান (৩৫) (এজাহার নামীয় ৪ নম্বর), মো. মানিক মিয়া(২০) (এজাহার নামীয় ৫ নম্বর), আলতাফ হোসেনের ছেলে মো. সুজন মিয়া (৪০) (এজাহার নামীয় ৬ নম্বর ), মৃত আজহার আলীর ছেলে মো. তাজুল ইসলাম (৩৫) (এজাহার নামীয় ৮ নম্বর), মৃত আসাদুল্লাহর ছেলে মোঃ হাবিবুর রহমান (৪০) (এজাহার নামীয় ১৭ নম্বর), সৈয়দ সোহাগ আলীর ছেলে মো. সামিউল (২০) (এজাহার নামীয় ১৮ নম্বর )।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক। গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত আছে ।