রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর ফেরিঘাট এলাকায় পদ্মা নদীতে পড়ে মো. রেজাউল শিকদার (৩৫) নামে এক যুবক নিখোঁজ হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে দৌলতদিয়া ৩নং ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে তিনি নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন। নিখোঁজ হওয়ার দীর্ঘ সময় পার হলেও এখনও তার সন্ধান মেলেনি।
নিখোঁজ রেজাউল শিকদার গোয়ালন্দ উপজেলার বাহিরচর শাহাদাৎ মেম্বার পাড়া এলাকার মৃত মহিউদ্দিন শিকদারের ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ফেরিতে ওঠার সময় রেজাউল শিকদারের সঙ্গে অপর এক যাত্রীর কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে পন্টুনের ওপর ধস্তাধস্তির মধ্যে রেজাউল শিকদার নদীতে লাফ দেন। সঙ্গে সঙ্গে ওই যাত্রীও নদীতে লাফ দেন। পরে স্থানীয়দের প্রচেষ্টায় অপর যাত্রীকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও রেজাউল শিকদার সাঁতরে তীরে ওঠার চেষ্টা করার সময় নদীতে তলিয়ে যান।
ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। খবর পেয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে মানিকগঞ্জ থেকে ডুবুরি দলকে খবর দেওয়া হলে তারা সন্ধ্যা ৬টার দিকে এসে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নিখোঁজ রেজাউল শিকদারের সন্ধান মেলেনি।
নিখোঁজ ব্যক্তির বড় ভাই মো. হারুন শিকদার অভিযোগ করে বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরেই হয়তো আমার ভাইকে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। ভাইকে খুঁজে পাওয়ার পর আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব।
গোয়ালন্দ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের লিডার মো. আব্দুল বাছেদ বলেন, খবর পেয়ে আমরা এবং গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যাই। পরে মানিকগঞ্জ ডুবুরি দল এসে সন্ধ্যা ৬টার দিকে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। রাত সাড়ে ৭টা পর্যন্ত চেষ্টা চালানো হলেও নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধান পাওয়া যায়নি।