× প্রচ্ছদ বাংলাদেশ বিশ্ব রাজনীতি খেলা বিনোদন বাণিজ্য লাইফ স্টাইল ভিডিও সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

শিশু সন্তানকে হত্যা করে পরকীয়া প্রেমিকের সাথে পালালেন মা

ডেস্ক রিপোর্ট।

০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৮:৪৪ পিএম

ছবি: সংগৃহীত।

গোপালগঞ্জ সদরে পরকীয়ার জেরে নিজের ৩ বছরের শিশু সন্তানকে হত্যা করে পরকীয়া প্রেমিকের সাথে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে সেতু বেগম (২৫)  নামে এক নারীর বিরুদ্ধে। ঘটনার ২০ দিন পর নিহত ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মা সেতু বেগমকে আটক করেছে পুলিশ 

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি)  গোপালগঞ্জ সদরের গোবরা নিলারমাঠ এলাকার ওই নারীর স্বামী রুবেল শেখের বাড়ি থেকে শিশু ফারিয়ার (৩) মরদেহ উদ্ধার করে সদর থানা পুলিশ। এর আগে গত ১৭ জানুয়ারি ওই শিশুকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যা করে। 

জানা গেছে, গত ৬ মাস আগে সেতু বেগমের সঙ্গে  টিকটকে পরিচয় হয় ফরিদপুর জেলার সদরপুর থানার বাড়ৈইহাট গ্রামের মিরাজ মোল্লার সাথে। পরে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন তারা। এরই জের ধরে গত ১৭ জানুয়ারি সন্ধ্যায় পরকীয়া প্রেমিকের সহায়তায় নিজের ৩ বছরের শিশু সন্তানকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। তারপর মরদেহ বাসার ট্যাংকে লুকিয়ে রাখে।

পরে পরকীয়া প্রেমিক রুবেলের সঙ্গে পালিয়ে যায় মা সেতু বেগম। প্রেমিক তাকে ১৯ দিন পর ছেড়ে চলে যাওয়ার পর সেতু বেগম তার নিজের বাবার বাড়িতে ফিরে আসেন। পরে পরিবারের লোকজন জিজ্ঞেসা করলে মা সেতু বেগম স্বীকার করে বলে পরকীয়া প্রেমিক রুবেল শেখের সহোযোগিতায় মেয়ের গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যা করে বাসার ট্যাংকে লুকিয়ে রেখেছে। পরিবারের সদস্যরা তাকে আটক করে গোপালগঞ্জ সদর থানার নিয়ে যায়। পুলিশ সেতু বেগমের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ২০ দিন পর আজ ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে। 

বিষয়টি নিশ্চিত করে গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছি। আমাদের আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। 

Sangbad Sarabela

সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী আবু জাফর

যোগাযোগ: । [email protected] । বিজ্ঞাপন ও বার্তা সম্পাদক: 01894944220

ঠিকানা: বার্তা ও বাণিজ্যিক যোগাযোগ : বাড়ি নম্বর-২৩৪, খাইরুন্নেসা ম্যানশন, কাঁটাবন, নিউ এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা-১২০৫।

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 Sangbad Sarabela All Rights Reserved.