নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে কৃষি জমির উপরিভাগের উর্বর মাটি বা ‘টপসয়েল’ কাটার দায়ে এক ব্যক্তিকে অর্থদণ্ড ও একটি মামলা দায়ের করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
শনিবার দুপুরে উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ৫৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও তার বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয়।
অভিযুক্ত ব্যাক্তি উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের মফিজ উল্লার ছেলে তরিক উল্লা (৭৫)
শনিবার বিকেল এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাহাদাত হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বেগমগঞ্জ মডেল থানার এএসআই বাদশার নেতৃত্বে একটি পুলিশ টিম নিয়ে অভিযানকালে দেখা যায়, সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এক ব্যক্তি ভেকু দিয়ে ফসলি জমির উপরিভাগের মাটি কেটে অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছেন। আমরা তাৎক্ষণিক একটি এস্কেভেটর জব্দ করে স্থানীয় জনপ্রতিনিধির জিম্মায় রাখা হয়। অভিযুক্ত ব্যাক্তিকে ৫৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ডসহ বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ ধারা অনুযায়ী বেগমগঞ্জ মডেল থানায় ১টি মামলা করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাহাদাত হোসেন জানান:"কৃষি জমির টপসয়েল কাটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এতে জমির উর্বরতা শক্তি নষ্ট হয় এবং দীর্ঘমেয়াদে ফসলের ফলন কমে যায়। জনস্বার্থে এবং কৃষিজমি রক্ষায় আমাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।"
স্থানীয়রা জানান দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে ফসলি জমির মাটি ইটভাটাসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে আসছিল। আজকের এই অভিযানের ফলে সাধারণ কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। সচেতন মহল মনে করছেন, নিয়মিত এ ধরনের তদারকি থাকলে রক্ষা পাবে নোয়াখালীর বিস্তীর্ণ ফসলি জমি।