মানিকগঞ্জ-৩ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন । রোববার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এই ঘোষণা দেন। তাঁর নির্বাচনী প্রতীক ছিল মোটরসাইকেল।
এর আগে শনিবার নির্বাচন নিয়ে নানা অভিযোগ তুলে পাঁচজন প্রার্থী যৌথভাবে এক সংবাদ সম্মেলন করেন। ওই সংবাদ সম্মেলনে রফিকুল ইসলাম খানও উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রফিকুল ইসলাম খান অভিযোগ করেন, সুষ্ঠু ও সমতাপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসন কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। এতে ভোটারদের মধ্যে ভয়ভীতি ও সংশয় তৈরি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন এবং নানা সমস্যা তুলে ধরেছেন। তবে এখন পর্যন্ত এসব বিষয়ে কোনো প্রতিকার বা দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তাঁর মতে, ভোটারদের ভয় দূর করা এবং নির্বাচনের মাঠে সমতা ও নিরপেক্ষ পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসন ব্যর্থ হয়েছে। এ কারণে তিনি এই নির্বাচনকে ‘প্রহসন’ আখ্যা দিয়ে নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্ত নেন।
অন্যদিকে স্থানীয় কয়েকজন রাজনৈতিক বিশ্লেষকের মত, জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়ার আশঙ্কা থেকেই রফিকুল ইসলাম খান নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। তাঁদের দাবি, প্রতীক বরাদ্দের পর তিনি প্রতিটি ইউনিয়নে নির্বাচনী ক্যাম্প স্থাপন করতে পারেননি। প্রচার কার্যক্রমেও কর্মী-সমর্থকের উপস্থিতি ছিল সীমিত। এমনকি পোলিং এজেন্ট দেওয়ার সক্ষমতাও তাঁর ছিল না।
এ বিষয়ে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন বলেন, ‘কোনো প্রার্থী আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে লিখিত অভিযোগ আমরা পাইনি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’