আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নোয়াখালী-৫ আসনে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। এই আসনে অনিয়ম ও সহিংসতার আশঙ্কার কথা তুলে ধরে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ বেলায়েত হোসেন।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট বাজারে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
অধ্যক্ষ বেলায়েত হোসেন বলেন, বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর সমর্থকেরা এলাকায় ভয়ভীতি ও অস্থির পরিবেশ সৃষ্টি করছে। ভোটারদের হুমকি দেওয়া, কেন্দ্র দখলের অপচেষ্টা এবং নির্বাচনের আগেই সহিংসতার ইঙ্গিতপূর্ণ কর্মকাণ্ড চলছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এসব বিষয়ে লিখিতভাবে একাধিকবার নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করা হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলেও দাবি করেন জামায়াত প্রার্থী।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের আগেই বিভিন্ন এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটছে। এসব ঘটনা ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। তাঁর মতে, এ ধরনের পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের নীরবতা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনমনে প্রশ্ন তৈরি করছে।
সংবাদ সম্মেলনে বসুরহাট পৌরসভা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মোশাররফ হোসাইন বলেন, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের জনপ্রিয়তা দেখে প্রতিপক্ষ প্রার্থী নির্বাচন প্রকৌশলের (ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং) ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন। জনগণের ওপর তাঁদের কোনো আস্থা নেই।
সংবাদ সম্মেলনে নোয়াখালী-৫ আসনের বিএনপির এমপি প্রার্থী আলহাজ্ব মুহাম্মদ ফখরুল ইসলামের বিরুদ্ধে নির্বাচন প্রকৌশলসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন,জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় বায়তুল মাল সম্পাদক আলমগীর ইউসুফ, কেন্দ্রীয় নেতা ও ইসলামী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান আবু নাছের মোহাম্মদ আবদুজ জাহেরের ছেলে ডা. শওকত আল ইমরান, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা মিজানুর রহমান, বসুরহাট পৌরসভা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা হেলাল উদ্দিনসহ দলটির স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতারা।