রংপুর-৩ (মহানগর-সদর) আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দলের চেয়ারম্যান জিএম কাদের। আর রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনে ১১-দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন।
তবে নিজ নিজ নির্বাচনি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও এ দুই শীর্ষ নেতা সেখানে ভোট দিতে পারছেন না। কারণ দুজনই ঢাকার তালিকাভুক্ত ভোটার।
নির্বাচনি হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা বাসা নং-৯/এ, সড়ক নং-৩৩, সেক্টর-৭, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ উল্লেখ করা হয়েছে এবং তার জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর দিয়ে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে অনুসন্ধান করে দেখা গেছে, তিনি উত্তরা হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রের ভোটার।
অন্যদিকে আখতার হোসেনের স্থায়ী ঠিকানা রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার টেপামধুপুর ইউনিয়নের সদরা তালুক গ্রামে হলেও তিনি বর্তমানে ঢাকার ভোটার। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, তার ভোটকেন্দ্র ঢাকার উদয়ন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়।
ভোটার এলাকা পরিবর্তন করতে না পারায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে জানিয়ে এর পেছনে নির্বাচন কমিশনকেই দায়ী করছেন তিনি। তার দাবি, ভোটার এলাকা পরিবর্তনের জন্য যথেষ্ট চেষ্টা করলেও নির্বাচন কমিশন তাকে সহযোগিতা করেনি।
আখতার হোসেন জানান, ভোটার আবেদনের সময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। তখন বর্তমান ঠিকানা হিসেবে ঢাকার ঠিকানা ব্যবহার করেছিলেন। নিয়ম অনুযায়ী, বর্তমান ঠিকানার ভিত্তিতেই তার নাম ঢাকার ওই এলাকার ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে জেলার ৬টি সংসদীয় আসনে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। ভোট গ্রহণ শুরুর আগেই ভোটাররা ভোট দিতে কেন্দ্রে আসতে শুরু করেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিটি কেন্দ্রেই ভোটারদের উপস্থিতি ও দীর্ঘ সারি লক্ষ করা যাচ্ছে।