নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময়ে রাজশাহীর ৬ টি সংসদীয় আসনে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। দুই একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বেশ কয়েকটি কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে ভোটারদের দীর্ঘ সরি। তবে দুই একটি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ শুরুর আগেই কেন্দ্রে ভোটারদের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।
জেলার মোট ছয়টি সংসদীয় আসনে ৭৭৮ টি ভোট কেন্দ্রে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। আসনগুলোতে মোট ৩২ জন প্রার্থী থাকলেও কয়েকদিন আগে রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনের একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। ফলে ভোটের মাঠে রয়েছে ৩১ জন প্রার্থী। স্থানীয় ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, সবকটি আসনেই বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীদের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা দিতে হবে।
নির্বাচন সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন করতে নেয়া হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। জেলা জুড়ে প্রায় ১৭ হাজার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন রয়েছে । এরমধ্যে ১০ হাজার ১শ ১৪ জন আনসার , ১ হাজার ১ শ ১০ জন সেনা সদস্য ,জেলা পুলিশের ১ হাজার ৯শ ১৭ জন, আরএমপি’র ২ হাজার ৬৫ ও ১৪৭ জন র্যাব সদস্য নিয়োজিত আছে । এছাড়াও মোতায়েন রয়েছে ৩৮ প্লাটুন বিজিবি।
এদিকে, নির্বাচনেরদিন সকালে রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া -দুর্গাপুর) সংসদীয় আসনের নওপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটারদের কেন্দ্রে যেতে বাঁধা দেওয়ায় বিএনপি প্রার্থী অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রেজাউল করিমের সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এছাড়াও একই আসনের বানেশ্বর ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ভোট কেন্দ্রের সামনে ভোটারদের টাকা দেওয়ায় সময় জামায়াত কর্মীকে ধাওয়া করে বিএনপি নেতাকর্মীরা।
অন্যদিকে, রাজশাহী-২ (সদর) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর ও স্বন্ত্রত প্রার্থী আবু সালেহ প্রিন্স নওদাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মহিলা কেন্দ্র পরিদর্শনে গেলে বিএনপি সমর্থীত নেতা-কর্মীরা হট্টগোল শুরু করে। পরবর্তীতে ডিবি ও সেষাবাহিনীর সদস্যরা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। অন্যদিকে, শিরোইল কলোনী সরকারি প্রামথিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ভেতরে বুথস্থলে ছবি তোলার দায়ে ভ্রামমান আদালত দুই ব্যক্তিকে সাতদিনের সাজা দায়ে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।