পবিত্র মাহে রমজানে নীলফামারী জেলার সকল জামে মসজিদে একই পদ্ধতিতে খতমে তারাবীহ নামায আদায়ের জন্য নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। জেলার মোট ৪ হাজার ৩৩৫টি জামে মসজিদে অভিন্ন নিয়মে তারাবীহ নামাযে পবিত্র কুরআন তেলওয়াত সম্পন্ন করা হবে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, রমজানের প্রথম ছয় দিনে দেড় পারা করে মোট ৯ পারা এবং পরবর্তী ২১ দিনে প্রতিদিন এক পারা করে পবিত্র কুরআন তেলওয়াত করা হবে। এর ফলে ২৭ রমজানের পবিত্র লাইলাতুল কদরের রাতে খতমে কুরআন সম্পন্ন হবে।
সূত্র জানায়, এ নিয়ম বাস্তবায়নের মাধ্যমে জেলার সকল মসজিদে তারাবীহ নামাযে কুরআন তেলওয়াতের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে এবং মুসল্লিদের জন্য সৃষ্টি হবে একটি সমন্বিত ধর্মীয় পরিবেশ।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন নীলফামারী জেলা উপ-পরিচালকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার ৪ হাজার ৩৩৫টি জামে মসজিদের মধ্যে— নীলফামারী সদরে ৯৬৫টি,ডিমলা উপজেলায় ৭০৬টি,ডোমার উপজেলায় ৬১৯টি,জলঢাকা উপজেলায় ৮৪৪টি,সৈয়দপুর উপজেলায় ৫০৭টি এবং কিশোরগঞ্জ উপজেলায় ৬৯৪টি জামে মসজিদ রয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন নীলফামারী জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোছাদ্দিকুল আলম জানান, “জেলার সব মসজিদে একই পদ্ধতিতে তারাবীহ নামাযে কুরআন তেলওয়াত করা হলে মুসল্লিদের জন্য তা সহজ ও সুসংগত হবে। এতে কোনো মুসল্লি কুরআন তেলওয়াত শুনতে বঞ্চিত হবেন না।”
তিনি আরও বলেন, “অনেক সময় মুসল্লিরা কর্মসূত্রে বা ভ্রমণের কারণে নির্দিষ্ট কোনো মসজিদে তারাবীহ আদায় করতে পারেন না। কিন্তু জেলার যেখানেই থাকুন না কেন, একই সূরা ও পারা তেলওয়াত হওয়ায় তারাবীহ নামাযে কুরআন তেলওয়াতের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।”
ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য রক্ষা ও মুসল্লিদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে নেওয়া এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন আলেম সমাজ ও সাধারণ মুসল্লিরা।