× প্রচ্ছদ বাংলাদেশ বিশ্ব রাজনীতি খেলা বিনোদন বাণিজ্য লাইফ স্টাইল ভিডিও সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

রমজানের শুরুতেই জীবননগরের বাজারে আগুন: বেগুনের দাম দ্বিগুণ, শসা ১২০ টাকা

মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন (সাব-এডিটর)

২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৪:২৩ পিএম । আপডেটঃ ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৪:৪৭ পিএম

ছবি: সংবাদ সারাবেলা।

​পবিত্র মাহে রমজানের শুরুতেই চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার কাঁচাবাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। ইফতার ও সেহরির প্রয়োজনীয় প্রতিটি পণ্যের দাম এক লাফে কেজিতে ২০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে করে বাজারে এসে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষ। মাংস ও মাছের বাজারেও নেই কোনো সুখবর।

​উপজেলার কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, ইফতারে অপরিহার্য সবজি বেগুন ও কাঁচামরিচের দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। দুদিন আগেও যে বেগুন ৩০-৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে, তা এখন বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকায়। সালাদের জন্য প্রয়োজনীয় শসার দাম ঠেকেছে ১২০ টাকায়। এছাড়া এক হালি লেবু কিনতে ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে ৬০ টাকা। কাঁচা মরিচ ১২০ টাকা থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে যা ক্রেতাদের বাড়তি ৬০ টাকা গুনতে হচ্ছে। 

​মাছের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রুই, কাতলা, মৃগেল, গ্লাসকার্প ও সিলভারকার্পের মতো বড় মাছের দাম কেজিতে ২০ টাকা করে বেড়েছে। তবে পাঙ্গাশ, তেলাপিয়া ও বাটা মাছের দামে তেমন পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়নি। মাংসের বাজারেও উচ্চমূল্য বজায় থাকায় সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে অসন্তোষ দেখা গেছে।

​বাজারের বর্তমান চিত্র:

টমেটো: ৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৫০ টাকা।

​করলা: ১২০ টাকা থেকে বেড়ে ১৬০ টাকা।

​লাউ: পিস প্রতি বেড়েছে ২০ টাকা।

কাঁচামরিচ: কেজিতে ৬০ থেকে ৮০ টাকা।

​অন্যান্য: শিম, কপি ও কলার দাম কেজিতে বেড়েছে অন্তত ২০ টাকা।

​তবে স্বস্তির খবর হলো আলু, পেঁয়াজ, রসুন, মিষ্টি কুমড়া ও গাজরের দাম বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে।

​বাজারে আসা সাধারণ ক্রেতারা অভিযোগ করে বলেন, মুদি দোকানের মালপত্রের দাম কিছুটা স্থিতিশীল থাকলেও মাছ ও সবজি বাজারে সিন্ডিকেট করে দাম বাড়ানো হয়েছে। নিয়মিত বাজার মনিটরিং না করার সুযোগ নিচ্ছে অসাধু মধ্যস্বত্বভোগীরা।

​অন্যদিকে, খুচরা বিক্রেতাদের দাবি বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ কমে গেছে। আড়ত থেকে চড়া দামে পণ্য কিনে আনতে হচ্ছে বলে খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়ছে।

​রমজান মাসে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বিবেচনা করে নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ক্রেতারা। তারা মনে করেন, যথাযথ নজরদারি থাকলে সিন্ডিকেট ভেঙে পণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে আনা সম্ভব।

জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলম রাসেল বলেন, রমজান শুরুর আগেই আমাদের এসিল্যান্ড বাজার মনিটরিং করেছে এবং পৌরসভার উদ্যোগে বাজারে সতর্ক মূলক মাইকিং করা হচ্ছে। 

তিনি আরও বলেন, পবিত্র রমজান মাসে জুড়ে বাজার মনিটরিং অব্যাহত থাকবে এবং আমি নিজেও বাজার মনিটরিং করবো।

Sangbad Sarabela

সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী আবু জাফর

যোগাযোগ: । [email protected] । বিজ্ঞাপন ও বার্তা সম্পাদক: 01894944220

ঠিকানা: বার্তা ও বাণিজ্যিক যোগাযোগ : বাড়ি নম্বর-২৩৪, খাইরুন্নেসা ম্যানশন, কাঁটাবন, নিউ এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা-১২০৫।

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 Sangbad Sarabela All Rights Reserved.