জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি ও তেলের কৃত্রিম সংকট মোকাবেলায় রংপুরে ফিলিং স্টেশনে অভিযান শুরু করেছে প্রশাসন। শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারিমুল মওলার নেতৃত্বে নগরীর প্রায় ১০টি ফিলিং স্টেশনে অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে তেলের মজুদ থাকা স্বত্ত্বেও বিক্রি না করা, তেল বিক্রির যন্ত্র বন্ধ রাখার অভিযোগে ৪টি প্রতিষ্ঠানকে সতর্কতামূলকভাবে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় জ্বালানি তেলের মজুদ, সরবরাহ অবস্থা ও বিক্রির বিষয়ে ফিলিং স্টেশনগুলোরা কার্যক্রম দেখাসহ ক্রেতাদের সচেতন করা হয়।
এদিকে সকাল থেকে নগরীর বিভিন্ন তেল পাম্প ঘুরে মোটরসাইকেল, বাস, ট্রাক, প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাস চালকদের যানবাহন নিয়ে তেলের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা যায়। কোথাও কোথাও মোটরসাইকেলের লম্বা লাইন ছিল। গ্রাহকেরা লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ করেন।
কয়েকজন মোটরসাইকেল চালকও প্রাইভেটকার চালক জানান, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ায় জ্বালানি তেলের সংকট তৈরি হয়েছে। ঈদের আগে এই সংকট প্রকোপ হতে পারে। এ কারণে অনেকেই আগাম তেল নিয়ে রাখার চেষ্টা করছেন। যদিও তেল পাম্পগুলো থেকে সরকারের নির্দেশনার আলোকে তেল বিক্রি করা হচ্ছে।
জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারিমুল মওলা বলেন, সরকার জ্বালানি তেল বিক্রির নির্দেশনা দিয়েছে। পাম্পগুলোতে পর্যাপ্ত তেল সরবরাহ ও মজুদ থাকলেও ক্রেতাদের মাঝে তেল সংকটের গুজব ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এটিকে পুঁজি করে তেল বিক্রি বন্ধ রেখেছেন। আমরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছি। সেই সাথে জনসাধারণকে বলবো দেশে এখন পর্যন্ত তেলের কোন সংকট নেই। পাম্পগুলোতে পর্যাপ্ত তেল মজুদ ও সরবরাহ ঠিক রয়েছে।