বাগেরহাটে ষাটগম্বুজ বায়তুশশরফ হিফয খানার ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করলেন আঞ্জুমানে ইত্তেহাদ বাংলাদেশের সভাপতি বায়তুশ শরফ দরবার শরীফের পীর সাহেব মাওলানা মোঃ আব্দুল হাই নদভী। শনিবার (৪ এপ্রিল) বেলা ১২ টায় হেফয খানার চতুর্থ তলা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি। স্থানীয়দের দান অনুদানের অর্থে নির্মিত হবে এই ভবন। ভবনের জমিও বিভিন্ন ব্যক্তির দানের টাকায় ক্রয় করা হয়েছে। ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই হেফজখানায় বর্তমানে ৩০ জন পবিত্র কোরআন শিক্ষার্থী রয়েছে। প্রতিবছরই এই প্রতিষ্ঠান থেকে ২-৩ জন হেফয শিক্ষা সমাপ্ত করে পাগড়ী গ্রহণ করে থাকে। বর্তমান কক্ষগুলো ছোট এবং নতুনদের জায়গা সংকুলন না হওয়ায় নতুন ভব নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেওয়ায় হেফজখানা পরিচালনা কমিটি নতুন এই মডেল ভবন নির্মাণের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনে আরো উপস্থিত ছিলেন, বিশেষ মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মাওলানা মোঃ মোশারফ হোসেন, মাওলানা কাজী শিহাব উদ্দিন, বায়তুশ শরফ আঞ্জুমানে ইত্তেহাদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মোহাম্মদ আমানুল্লাহ, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল কবির, অধ্যাপক সাব্বির আহমেদ, মাজার মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মোঃ খালিদ আহমেদ, ষাটগম্বুজ বায়তুশ শরফ আদর্শ আলিম মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা মোঃ আসলাম হোসেন, এতিমখানার প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা এনামুল হোসেন, হেফয খানার সভাপতি শেখ শামীম হাসান, সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান শিমুল, শেখ মোস্তাইন বিল্লাহ, হেফয খানার প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা মোঃ আলিমুল ইসলাম, হাওলাদার রফিকুল ইসলাম, মোয়াজ্জেম হোসেন ছোট, মলঙ্গী আসাদুজ্জামান, শেখ শরিফুল ইসলাম, মোল্লা আব্দুল মতিন, ডাক্তার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, মোহাম্মদ আক্তার হোসেন, হাওলাদার মাহমুদ আলীসহ স্থানীয়রা।
ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন কালে পীর সাহেব মাওলানা মোঃ আব্দুল হাই নদভী বলেন, বায়তুশ শরফ দরবার সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান। এই দরবারে কোন গ্রুপিং নাই। এই দরবারের উদ্দেশ্য ইসলামের আলোকে ধর্ম ও কর্মের সমন্বয়ে মানুষকে সত্যিকার মুমিনে রূপান্তরিত করা। বর্তমানে সমগ্র বাংলাদেশে আনজুমানে ইত্তেহাদের শত শত কর্মকেন্দ্র সক্রিয় রয়েছে। নতুন নতুন শাখা খোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া ইউরোপ আমেরিকা সহ মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশেও এর কর্মকান্ড প্রসার লাভ করেছে। ১৮৫টি মসজিদ, ৩৯ টি কামিল মাদ্রাসা, ৩৪ টি হেফয খানা, ২৮ টি এতিমখানা, ১৭৫টি বই/ প্রকাশনা, চল্লিশটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ইবতেদায়ী মাদ্রাসাসহ অসংখ্য প্রতিষ্ঠান এবং কমপক্ষে ৫০ টি নির্মাণাধীন প্রতিষ্ঠান রয়েছে।