× প্রচ্ছদ বাংলাদেশ বিশ্ব রাজনীতি খেলা বিনোদন বাণিজ্য লাইফ স্টাইল ভিডিও সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

সকল জল্পনা কল্পনার অবসান, সোহাগ হত্যার ঘটনায় মামলা দায়েরে নৈ প্রত্যের কারণ জমি সংক্রান্ত বিরোধ

ঈশ্বরদী পাবনা প্রতিনিধি

০৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৯:১৯ পিএম

সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে প্রায় ৭৪ ঘন্টা পর ঈশ্বরদী থানায় মামলা দায়ের করা হলো ছাত্রদলের নেতা ইমরান হোসেন সোহাগ হত্যাকাণ্ডের। সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার। 

সোহাগ হত্যাকাণ্ড নিয়ে শিশু,কিশোর, যুবক, বৃদ্ধ সকলেই এক বাক্য ধরে নিয়েছিলেন যে হত্যাকাণ্ডটি রাজনৈতিক। নানা মহলে এই নিয়ে রংচং মাখিয়ে নানান ধরনের কথাবার্তাও হচ্ছিল। বিশেষ করে ঈশ্বরদী শহরের থেকে প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যন্ত হাট বাজার কিংবা মোড়ে মোড়ে চায়ের দোকানে বিষয়টি ছিল আলোচনার কেন্দ্র বিন্দু। তবে নিহত সোহাগের পিতা এমানুল প্রামানিক সশরীরে থানায় উপস্থিত হয়ে দায়ের করা মামলায় এজাহারে যে বর্ণনা দিয়েছেন তা সকল মহলের ধারণা কিংবা অনুমান এবং আলোচনা কে মিথ্যা প্রমাণ করে দিয়েছেন। 

এজাহারের বর্ণনা তিনি যা উল্লেখ করেছেন , ইমরান হোসেন সোহাগকে হত্যা করা হয়েছে মূলত জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে। যারা এই হত্যাকান্ডের নামিক ও অজ্ঞাত আসামী তাদের সাথে দীর্ঘদিন থেকে বিরোধ চলে আসছিল সোহাগের পরিবারে।

ঘটনার দিন নামিক আসামি গং অনিবার্য কারণে আসামিদের নাম উল্লেখ করা সম্ভব হলো না।

পূর্বপরিকল্পিত অনুযায়ী ঐদিন উল্লেখিত সময়ে তারা ইমরান হোসেন সোহাগের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে প্রথমে গুলি এবং পরে মাথায় এলোপাথাড়ি কুপিয়ে নিশংস ভাবে হত্যাকান্ড ঘটিয়ে বীরদর্পে স্থান ত্যাগ করে। হত্যাকাণ্ডের পর ঘটনাস্থলে তারা ফাঁকা গুলি করে আতঙ্ক সৃষ্টি করলে উপস্থিত লোকজন আত্মরক্ষার জন্য নিরাপদ আশ্রয়ে সরে পড়েন। সেই সুযোগে হত্যাকারীরা সোহাগকে হত্যার মাধ্যমে পথের কাঁটা দূর এবং তাদের মনোবাঞ্ছা পূর্ণ করে।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর থেকে ছাড়া গোপালপুর সহ ঈশ্বরদীর সর্বত্র চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সোহাগের হত্যাকারীদের গ্রেফতার সহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করে শহরে দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল ও থানা ঘেরাওয়ের মতো ঘটনা ঘটে। স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি'র নেতা জাকারিয়া পিন্টুর নির্দেশনায় যুবদল নেতা জাকির হোসেন জুয়েল ও সাবেক স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে পৃথক পৃথক এসব বিক্ষোভ মিছিল ও ঘেরাও কর্মসূচি পালন করা হয়।

এ ব্যাপারে ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার জানান, নিহত সোহাগের বাবা ও তার ভাই ঈশ্বরদী থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন সেই এজাহারে ৭জন কে নামিক আসামী ও ৮/১০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করা হয়েছে। এজাহারের ভিত্তিতে মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামীদের গ্রেফতারের জন্য সর্বোত্নক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। 

তিনি আরো বলেন এই মামলার বিষয়টি অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ প্রদান করে দ্রুত তদন্তের জন্য পাবনা জেলা ডিবি পুলিশকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।


এদিকে এলাকাবাসীর মাধ্যমে খোঁজখবর নিয়ে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে জমি জমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে এলাকারই এক বাসিন্দার সঙ্গে দীর্ঘদিন সোহাগের পরিবারের বিরুদ্ধে চলে আসছিলেন। এই বিরোধের জের ধরে সোহাগের পরিবারের কয়েকজনকে দুই থেকে তিনটি মামলার আসামিও করেন ওই পরিবারটি। তবে তাদের দ্বারা এমন নৃশংস হত্যাকান্ড ঘটনাটি এলাকাবাসী মেনে নিতে পারছেন না। এর পেছনে আরো কিছু কারণ থাকতে পারে বলেও এলাকাবাসী মন্তব্য করেন।


Sangbad Sarabela

সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী আবু জাফর

যোগাযোগ: । [email protected] । বিজ্ঞাপন ও বার্তা সম্পাদক: 01894944220

ঠিকানা: বার্তা ও বাণিজ্যিক যোগাযোগ : বাড়ি নম্বর-২৩৪, খাইরুন্নেসা ম্যানশন, কাঁটাবন, নিউ এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা-১২০৫।

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 Sangbad Sarabela All Rights Reserved.