ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে ইট ভাটার জন্য অবাধে ফসলি জমির মাটি কাটা হচ্ছে। জমির মালিক সামসু মিয়ার অভিযোগ শাহীন ব্রিকস ফিল্ড এর মালিক শফিকুল ইসলাম ভূইয়ার কাছে তার জমি ভাড়া দেয়া হয়, কিন্তু তিনি তাকে না জানিয়ে তার জমির মাটি কেটে নিয়ে ইট তৈরি করছেন। পরে বাঁধা দিলে জোরপূর্বক আরেকটি জমি মাটি কেটে নেয়।
পরে এ ব্যাপারে গত ৭ এপ্রিল দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন জমির মালিক সামসু মিয়া।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, আমার স্বত্বদখলীয় কিছু অংশ খরিদকৃত জমি এবং পৈর্তৃক ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত জমি নিম্নোক্ত বিবাদীগনের নিকট গত ১৫/১২/২০১৮খ্রি: হইতে ১৪/১২/২০২৮খ্রি: পর্যন্ত ইট মিল (ব্রিকস ফিল্ড) ব্যবসা করার জন্য ভাড়া প্রদান করি। কিন্তু বিবাদীগন ইট মিলস্ স্থাপন করে ২০২৫খ্রিঃ পর্যন্ত সুন্দরভাবে বিকস্ ফিল্ড ব্যবসা করেছে এবং আমাদেরকে ভাড়া প্রদান করেছে, কোন প্রকার ছল-ছাতুরী করে নাই। কিন্তু এই বৎসর অর্থাৎ ২০২৬ ইং সালে আনুমানিক প্রায় ১৫০ শতক জমি হইতে ০৫ ফুট গভীর করে মাটি কেটে নিয়ে বিকস ফিল্ডে ব্যবহার করে ইট বানিয়ে ফেলেছে। যা আমি কোনভাবে অবগত নই বরং উল্টো আমাদের বাড়িতে পুলিশ পাঠায়।
অভিযোগকারী সামসু মিয়া বলেন, আমি শাহীন ব্রিকস ফিল্ড এর মালিক শফিকুল ইসলামের কাছে ইট রাখার জন্য জায়গা ভাড়া দিয়েছি। কিন্তু উনি আমাকে না জানিয়ে আমার জমির মাটি কেটে ইট প্রস্তুত করছেন। বাঁধা দিলে জোরপূর্বক আরেকটি জমি মাটি কেটে নেয়।
এ বিষয়ে শাহীন ব্রিকস ফিল্ডের ম্যানাজার আসরাব উদ্দিন লিটন বলেন, আমরা তাদের কাছ থেকে জমি চুক্তিভিত্তিক ভাড়া নিয়েছি, এখন পাঁচ ফুট ডাউন করব না ২০ ফুট উচু করব এটা আমাদের ব্যাপার। মিলের ক্ষেত্রে যা যা করা লাগবে করব। যেদিন চলে যাব সেইদিন তাদেরকে বুঝিয়ে দিব।
অভিযুক্ত শফিকুল ইসলামকে ইটভাটায় না পেয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে সরাইল উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী অফিসার শাহীনা নাছরিন মহোদয়কে কার্যালয়ে গিয়ে না পেয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে বক্তব্য পাওয়া যায়নি।