ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে মৌলভীবাজারে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য।
রবিবার (১২ এপ্রিল) বিকালে শহরের চৌমুহনা এলাকার দেওয়ানী জামে মসজিদ চত্বর থেকে শুরু হয় পূর্ব ঘোষিত বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচি।
বিক্ষোভ মিছিলটি এম সাইফুর রহমান সড়ক হয়ে শহরের কুসুমবাগ এলাকার এসআর প্লাজার সামনের সড়কে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে জেলা জামায়াতের আমীর ও ১১ দলীয় ঐক্য'র অন্যতম সমন্বয়ক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ শাহেদ আলী বিএনপি সরকারের সমালোচনা করে বলেন, ২৪ এর গণ আকাঙ্খা ছিল একটি সুন্দর স্বাধীন বাংলাদেশ। একটি পরিবর্তনশীল বাংলাদেশ। একটি মানবিক বাংলাদেশ। একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়ার আকাঙ্খা নিয়ে জুলাই আকাঙ্খা বাস্তবায়িত হয়েছিল। কিন্তু আমরা রক্ষ্য করেছি সেটাকে পুঁজি করে নির্বাচনের সময় জুলাইর সাফাই গেয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসার পর অত্যান্ত পরিকল্পিতভাবে নির্লজ্জভাবে আবারও আমরা ফ্যাসিবাদীর পথে পদচারণা শুরু করেছে বর্তমান সরকার।
তিনি আরও বলেন, আজ বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদের প্রতিধ্বনী শুনা যাচ্ছে। আমাদের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ সংসদের ভিতরে জোরালো ভাবে জুলাই সনদের আইনি ভিত্তির জন্য গণভোটকে স্বীকৃতি দিয়ে অবিলম্বে কার্যকর করার জন্য উত্থাপন করেছেন। এই দাবিকে তারা উপেক্ষা করে ৭০ ভাগ মানুষের ভোটাধিকারকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে ফ্যাসিবাদী কায়দায় রাষ্ট্র পরিচালনার পথে পা বাড়াচ্ছে।
সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ খেলাফত শ্রমিক মজলিসের কেন্দ্রীয় সমাজকল্যাণ সম্পাদক মাওলানা লুৎফুর রহমান কামালী, বিডিপি জেলা সভাপতি মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. ইয়ামীর আলী, এনসিপি জেলা সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এহসান জাকারিয়া, বিডিপি জেলা সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল ওয়াহিদ, ন্যাশনাল ওলামা এলায়েন্সের কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ওলিউর রহমান, বিডিপির জেলা সহ-সম্পাদক প্রকৌশলী মো. নুরুল আলম চৌধুরী ও বাংলাদেশ খেলাফত মজললিসের জেলা সহ-সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ইসলাম উদ্দিন।
ওদিকে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যর ব্যানারে কেন্দ্র ঘোষিত ওই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও এনসিপি সহ অন্যান্য দলের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি থাকলেও সেখানে জোটের শরিকদল খেলাফত মজলিসের নেতৃবৃন্দকে দেখা যায় নি।