ঝিনাইদহ-মাগুরা মহাসড়কের চুয়াডাঙ্গা নামক স্থানে কোনো নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে যত্রতত্র ফেলা হচ্ছে সারের গাদ (শিল্প বর্জ্য)। ঝিনাইদহ বিসিক শিল্প নগরীর ভেতরে অবস্থিত ‘মেসার্স সততা এগ্রো কেমিক্যালস’ তাদের কারখানার বিষাক্ত বর্জ্য নিজস্ব ডাম্পিং স্টেশনে না ফেলে মহাসড়কের পাশে স্তূপ করছে। উন্মুক্ত স্থানে স্তূপীকৃত এই বিষাক্ত বর্জ্য থেকে অনবরত নির্গত হচ্ছে তীব্র ও উৎকট গ্যাস, যা ওই এলাকা দিয়ে চলাচলকারী পথচারী ও যাত্রীদের দম বন্ধ হওয়ার উপক্রম হচ্ছে, এতে শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। এমনকি বর্জ্যের ভেতরে থাকা ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদানগুলো মাটির গভীরে প্রবেশ করে ভূগর্ভস্থ পানীয় জলের স্তরকে স্থায়ীভাবে দূষিত করছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিসিক শিল্প নগরীর অভ্যন্তরে মেসার্স সততা এগ্রো কেমিক্যালসের নিজস্ব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র (ডাম্পিং জোন) থাকা সত্ত্বেও তারা জনবহুল মহাসড়কের পার্শ্ববর্তী এলাকাকে বর্জ্য অপসারণের স্থান হিসেবে বেছে নিয়েছে। এ বিষয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষের দাবি খালি জায়গাটি ব্যক্তিমালিকানাধীন এবং জমির মালিকের অনুরোধেই তারা শিল্প বর্জ্য ব্যবহারের মাধ্যমে নিচু জমি ভরাট করছে।
এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মুন্তাছির রহমান বলেন, উন্মুক্ত স্থানে বিষাক্ত শিল্প বর্জ্য অপসারণ ও স্তূপ করা গুরুতর দণ্ডনীয় অপরাধ। জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ রক্ষায় উক্ত প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদানসহ এনফোর্সমেন্ট কার্যক্রমের আওতায় আনা হবে।
এ ঘটনায় স্থানীয়রা দ্রুত বর্জ্য অপসারণ করে এলাকাটিকে দূষণমুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন।