রংপুর নগরীর শাপলাচত্বরের ড্রিমল্যান্ড আবাসিক হোটেলে অনৈতিক কাজের অভিযোগে ৪ তরুণীসহ ১৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাত ৯ টার দিকে এ অভিযান পরিচালনা করেন রংপুর মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা পুলিশ। এসময় হোটেলের বিভিন্ন কক্ষ থেকে আপত্তিকর কার্যকলাপের আলামত জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জের রনচন্ডি মাঝপাড়ার মৃত জয়নাল হোসেনের ছেলে মো: সেকেন্দার (৩৫), একই এলাকার লৈক্ষ চন্দ্রের ছেলে সম্পদ চন্দ্র, একই জেলা উপজেলার উত্তর ভেড়াভেড়ী এলাকার বিপ্লব রায়ের ছেলে আকাশ চৌধুরী (২৫), পঞ্চগর জেলার দেবীগঞ্জের সোনাহার এলাকার মনি চন্দ্রের ছেলে অরন্য রায় (২৫), রংপুরের গংগাচড়ার জমচওরা এলাকার সফিকুল ইসলামের ছেলে নজির হোসেন (২৫), মৌভাষা তালেব টারীর মৃত রেজাউল করিম বাবুর ছেলে মৃদুল মিয়া (২৩), ছোটরুপাই এলাকার মৃত নিবারণ চন্দ্রের ছেলে চয়ন কুমার শিল (২২), নারায়নগঞ্জের সোনারগাঁও থানার সেখেরহাট এলাকার মৃত বদরউদ্দিন আহমেদ এর ছেলে মিনহাজুল ইসলাম তাফিম (২৬), নরসিংদি পলাশ থানার পূর্ব পলাশ এলাকার আলতাফ হোসাাইন এর ছেলে তামিম হোসাইন (২৯), দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর থানার হিলি খাট্রা এলাকার মাহমুদুল ইসলামের মেয়ে মোছা. মৌসুমী আক্তার মুক্তা (২২), ঢাকা কেরানীগঞ্জের কুদ্দুস গাজীর মেয়ে মোছা: ফারজানা খাতুন (১৯), বগুড়া জেলার শাহাজানপুর থানার সাজাপুর উত্তরপাড়া এলাকার আব্দুল রাজ্জাকের মেয়ে রোকসানা (২৮), নীলফামারী জেলা ও থানার সুখধন এলাকার সুরত আলী শাহ এর মেয়ে স্মৃতি আক্তার (২৩)।
পুলিশ জানায়, নগরীর শাপলা চত্বরে ড্রিমল্যান্ড আবাসিক হোটেলে দীর্ঘদিন ধরে গোপনে এই অবৈধ কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছিল। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে হোটেলে অনৈতিক কার্যকলাপের সত্যতা পাওয়া যায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে রংপুর মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তি বলেন, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শেষে তাদের আজ আদালতে তোলা হবে। এছাড়াও এই ঘটনার সাথে জড়িত অন্যদের শনাক্তে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।