× প্রচ্ছদ বাংলাদেশ বিশ্ব রাজনীতি খেলা বিনোদন বাণিজ্য লাইফ স্টাইল ভিডিও সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হয়েও সাধারণ পরীক্ষার্থীর মতো পরীক্ষা, মেলেনি অতিরিক্ত সময়

সাইফুর রহমান শামীম,, কুড়িগ্রাম।

২২ এপ্রিল ২০২৬, ১৭:০১ পিএম

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিতে গিয়ে প্রতিবন্ধী পরিক্ষার্থীদের প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন এক দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী। বোর্ডের নির্ধারিত নিয়ম থাকলেও বাস্তবে তার প্রয়োগ না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত দাখিল পরীক্ষার প্রথম দিনে উপজেলার শাহ বাজার এএইচ ফাজিল মাদরাসা কেন্দ্রের এক নম্বর হলে পরীক্ষায় অংশ নেন ভাঙামোড় দাখিল মাদরাসার শিক্ষার্থী মৃধা ফারজানা মিতু (রোল-৪২২৬৩৬)।

দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হওয়া সত্ত্বেও তাকে সাধারণ পরীক্ষার্থীদের মতোই পরীক্ষা দিতে হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নিয়ম অনুযায়ী, ২০২৬ সালে প্রকাশিত এক সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য শ্রুতলেখক ও অতিরিক্ত ২০-৩০ মিনিট সময় দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। মিতু কোনো সুবিধাই পাননি। মিতু  সাংবাদিকদের জানান, তিনি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও সরকারি ভাতাভোগী। এর আগে একবার দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিয়ে অতিরিক্ত সুবিধা না পাওয়ায় তিন বিষয়ে অকৃতকার্য হন। এবার একই বিষয়গুলোতে পুনরায় পরীক্ষা দিচ্ছেন।

মিতু আরো বলেন, ‘চোখে কম দেখি, তাই দ্রুত লিখতে পারি না। নিয়ম অনুযায়ী অতিরিক্ত সময় পেলে ভালোভাবে পরীক্ষা দিতে পারতাম। আবেদন করার পরও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। স্থানীয় জ্যেষ্ঠ শিক্ষক ও সিনিয়র সাংবাদিক আমিনুল ইসলাম বলেন, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা বাড়তি সুবিধা পাওয়ার অধিকার রাখে। আবেদন করার পরও যদি তা না দেওয়া হয়, তাহলে এটি স্পষ্টভাবে অধিকার লঙ্ঘন। সামান্য অতিরিক্ত সময় পেলেই সে আরো ভালো করতে পারত। ভাঙামোড় দাখিল মাদরাসার সুপার ইসমাইল হোসেন সাংবাদিকদের  বলেন, পূর্বে মিতুর পরিবার থেকে কোনো আবেদন করা হয়নি। তবে পরীক্ষার দিন কেন্দ্রসচিবের কাছে আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্র সচিব মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের   জানান, আবেদন পাওয়া গেলে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উপজেলা মাধ্যমিক একাডেমিক সুপারভাইজার আব্দুস সালাম সাংবাদিকদের  বলেন, সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর আবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী পরীক্ষাগুলোতে বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী অতিরিক্ত সময় দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দিলারা আক্তার বলেন, বিষয়টি আগে থেকে জানা ছিল না। পরীক্ষা চলাকালীন কেন্দ্র সচিব অবগত করলে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়। পরবর্তী পরীক্ষাগুলোতে মিতু যেন নিয়ম অনুযায়ী অতিরিক্ত সময়সহ প্রয়োজনীয় সব সুবিধা পায়, সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।/

Sangbad Sarabela

সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী আবু জাফর

যোগাযোগ: । [email protected] । বিজ্ঞাপন ও বার্তা সম্পাদক: 01894944220

ঠিকানা: বার্তা ও বাণিজ্যিক যোগাযোগ : বাড়ি নম্বর-২৩৪, খাইরুন্নেসা ম্যানশন, কাঁটাবন, নিউ এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা-১২০৫।

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 Sangbad Sarabela All Rights Reserved.