কিশোরগঞ্জ শহরের প্রায় ৭০ ভাগ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। মঙ্গলবার ২৮ এপ্রিল ভোর রাতে অল্প সময়ের ভারী বর্ষণে শহরের প্রধান সড়ক, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, বাসাবাড়ি ও দোকানপাটে পানি ঢুকে পড়ে চরম জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।
এতে শহরের নালাগুলো উপচে পড়ে এবং আশপাশের এলাকা প্লাবিত হয়। পর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় অনেক রাস্তাঘাট, স্কুল মাঠ, খেলার মাঠ এমনকি বাসা বাড়িতেও হাটু সমান পানি লক্ষ করা গেছে। এসব জলাবদ্ধতার কারণে কিশোরগঞ্জ শহরের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।
সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, কিশোরগঞ্জ শহরের নগুয়া এতিমখানা, নগুয়া বটতলা, আলোরমেলা, শহরের এঞ্জেল স্কুলের সামনেসহ বিভিন্ন সরকারি অফিস-আদালত ও আশপাশের আবাসিক এলাকায় পানি ঢুকে পড়ে জনজীবনে স্থবিরতা তৈরি করেছে। অধিকাংশ এলাকায় জলাবদ্ধতার কারণে মানুষের স্বাভাবিক চলাচল ও জীবনযাত্রায় নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
নগরবাসী জানায়, বিদ্যুৎ বিভ্রাট এবং ড্রেনের গন্ধযুক্ত নোংরা পানির কারণে জীবনযাত্রা দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ। শহরজুড়ে দেখা দিয়েছে এক ধরনের অচলাবস্থার।
পৌর শহরের মো: জামাল নামের এক ভদ্রলোক সহ আরো অনেকে বলেন, অনেকদিন যাবৎ এই শহরে একটু বৃষ্টি হলেই পানি জমে যায়। এতে চলাচলে অনেক ভোগান্তি হয়। আমরা সংসদ সদস্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যাতে এই সমস্যা অতি তাড়াতারি সমাধানের চেষ্টা করে।
কিশোরগঞ্জ পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শফিকুর রহমান বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে ভারী বর্ষণে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। পানি নিষ্কাশনের জন্য আমাদের প্রায় ৭-৮ টিম কাজ করছে। তবে পানি সরে যেতে কিছুটা সময় লাগবে। তারপরও আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।