নেত্রকোণার মদনে পাচারকালে ২০ টন সরকারি চাল কালোবাজারে বিক্রি ঘটনায় মামলা হয়েছে। মদন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক দুলাল মিয়া বাদী হয়ে ৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরো ৮/১০ জন আসামি করে শুক্রবার মদন থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার আসামিরা হলেন,নেত্রকোণার সদর উপজেলার ছোটগড়া এলাকার নাজিম উদ্দিনের ছেলে ট্রাক চালক শামীম মিয়া (৩২),ময়মনসিংহের শম্ভুগঞ্জ এলাকার ছপিল উদ্দিন আকন্দের ছেলে ট্রাক চালকের সহকারী মোঃ শাহিন মিয়া (৩৪) ও মদন পৌরসভার মনোহরপুর গ্রামের মৃত নুরুল আওয়াল তালুকদারের ছেলে এনামূল হক আনার (৬০)। এ ঘটনায় ট্রাক চালক শামীম মিয়া ও তারই সহকারী শাহিন মিয়াকে শুক্রবার বিকেলে নেত্রকোনা কোর্ট আদালতে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে,গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে মদন উপজেলা থেকে ৬৬৭ বস্তায় ২০ টন সরকারি চাল ট্রাকে ভর্তি করে কালোবাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে বারহাট্টা উপজেলায় একটি রাইস মিলে নেওয়া হচ্ছে- এমন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। পরে নেত্রকোনা-মদন সড়কের হাঁসকুঁড়ি মৈদাম এলাকার সাম্য ফিলিং স্টেশনের সামনে থেকে সরকারি সিল যুক্ত ৬৬৭ বস্তা চালবোঝাই একটি ট্রাকসহ চালক ও সহকারীকে আটক করা হয়। পরে খবর পেয়ে মদন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাওলিন নাহার ঘটনাস্থলে এসে নিশ্চিত এখন চালগুলো সরকারি। পরে তিনি তা জব্দের নির্দেশ দিলে পুলিশ ট্রাকভর্তি চালসহ চালক ও সহকারীকে থানা হেফাজতে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় মদন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক দুলাল মিয়া বাদী হয়ে ৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আসামি করে শুক্রবার মদন থানায় মামলা দায়ের করেন।
এ ব্যাপারে মদন থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন,‘মদন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক দুলাল মিয়ার লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে নিয়মিত মামলা রজু হয়েছে। মামলার এজহার নামীয় দুই আসামিকে শুক্রবার বিকেলে নেত্রকোনা আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকী আসামি গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।