শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোট ফেনী জেলা শাখার উদ্যোগে দোয়া মাহফিল ও এতিম শিক্ষার্থীদের সম্মানে প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়। শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে ফলেশ্বর দারুল কুরআন মাদ্রাসা ও এতিমখানায় আয়োজিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মশিউর রহমান বিপ্লব। জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোট ফেনী জেলা শাখার আহবায়ক মীর মাসুদ পারভেজের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব সৈয়দ আবদুল্লাহ আল মামুনের সঞ্চালনায় দোয়া মাহফিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফেনী পৌর বিএনপির আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন বাবুল, সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আমান উদ্দিন কায়সার সাব্বির ও পৌর বিএনপির সদস্য সচিব এডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন ভূঁইয়া।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মশিউর রহমান বিপ্লব বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্ম না হলে বাংলাদেশের জন্ম হতো না। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে কতিপয় বিপথগামী সেনা সদস্যের বুলেটের আঘাতে শহীদ হয়েছিলেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, বাংলার রাখাল রাজা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ঘাতকরা জিয়াউর রহমানকে হত্যা করে ভেবেছিল তাঁর দল বিএনপিকে চিরতরে নিশ্চিহ্ন করে দেবে।
কিন্তু এই ঘাতকের দল জানে না যে, বাংলার আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছেন শহীদ জিয়াউর রহমানের কোটি কোটি ভক্ত ও দলীয় সমর্থক। তাঁরই সুযোগ্য সন্তান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দেশনায়ক তারেক রহমান দেশের উন্নয়ন, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার রাজনীতি করে যাচ্ছেন। তাঁর নেতৃত্বে দেশ পৌঁছেবে অভীষ্ট লক্ষ্যে। দোয়া মোনাজাতে প্রয়াত জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া ও আরাফাত রহমান কোকোর আত্মার মাগফেরাত এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়।
আলোচনা ও দোয়া মাহফিল শেষে প্রধান অতিথি আমন্ত্রিত অতিথিদের সাথে নিয়ে ফলেশ্বর দারুল কুরআন মাদ্রাসা ও এতিমখানার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রীতিভোজে অংশ নেন। প্রীতিভোজ শেষে প্রধান অতিথি এতিম শিক্ষার্থীদের জন্য মৌসুমি ফল উপহার দেন।