পাহাড়ে ধর্ষণ, অত্যাচার, ভুমিবেদখল, উচ্ছেদ হয়রানীসহ নানা বিষয়ে হাজারবার প্রেসক্লাবে সামনে এসে বিচার চেয়েছি। কিন্তু বিচার দুরের কথা প্রশাসন এপর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেয়নি। যার কারণে অপরাধীরা মাথাচাড়া দিয়ে আরো উগ্র আচরণ করছে। এসব অপরাধীদের আইনে আওতায় না আনলে আগামীতে পাহাড়ের বসবাসরত আদিবাসীরা ভুমি উচ্ছেদের শিকার হবে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে বিক্ষুদ্ধ আদিবাসী ছাত্র জনতা ব্যানারে বিক্ষোভ ও সমাবেশ কর্মসূচিতে এসব মন্তব্যে করেন শিক্ষার্থীরা।
অভিযোগ করে বক্তারা বলেন, বহিরাগতদের জায়গা দখল থেকে শুরু করে নানা জালিয়াতি কাগজের সহায়তা করছে প্রশাসন লোকজন। সেই সুযোগে ভুয়া কাগজ বানিয়ে দির্ঘকাল বসবাসরত আদিবাসীদের ভূমি দখল নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। এরই অংশ হিসেবে স্পষ্ট ঘটনা লামা উপজেলা নাজেরাম ত্রিপুরা পাহাড়াতে। একটি চক্র ভূয়া জায়গা দলিল বানিয়ে ত্রিপুরাদের ভুমি বেদখল করতে গ্রামবাসীদের উপর দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়েছে। বর্তমানে গ্রামবাসীরা হাসপাতালে মৃত্যু শয্যাশায়ী।
বক্তারা বলেন, নাজেরাম ত্রিপুরা গ্রামে ভূমি দখল এবং বসতঘরে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো এখনও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। শুধু তাই নয় বারবার এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না প্রশাসন। ক্ষতিগ্রস্তদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
এর আগে কর্মসূচি অংশ হিসেবে রাজার মাঠ থেকে বের করা হয় বিক্ষোভ মিছিল। শহরে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে প্রেসক্লাবে সামনে এসে শেষ হয়। এতে সমাবেশে অংশ নেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা। সমাবেশে মানবধিকার কর্মী জন ত্রিপুরা, সাবেক ছাত্রনেতা থোয়াইংক্য চাক,আদিবাসী ফোরামে সদস্য তনয়া ম্রো, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ নেতা এডিসন চাকমাসহ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।