× প্রচ্ছদ বাংলাদেশ বিশ্ব রাজনীতি খেলা বিনোদন বাণিজ্য লাইফ স্টাইল ভিডিও সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

আদালতের নির্দেশনা অবমাননা রাজউক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে রুল জারি

১৮ জুলাই ২০২৬, ১৯:১৮ পিএম

ছবি: সংবাদ সারাবেলা।

 রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান হিসেবে আগামী দুই বছরের জন্য দায়িত্ব পান সংস্থাটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনরত রিয়াজুল ইসলাম। তিনি ছিদ্দিকুর রহমানের স্থলাভিষিক্ত হন। গত বছরের ৮ এপ্রিল ছিদ্দিকুর রহমানকে রাজউকের চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। সেই চুক্তি পূর্ণ হওয়ার আগেই তা বাতিল করে প্রতিষ্ঠানটিতে নতুন চেয়ারম্যান দেয় সরকার। কিন্তু  সেই নিয়োগ এখন রাজউকের সেবার মানকে তলানিতে  নিয়ে গেছে। রাজউক চেয়ারম্যান বিগত সময়ে দৃশ্যমান কাজ দেখাতে পারেননি। কেবলমাত্র অনিয়ম-দুর্নীতি প্রাতিষ্ঠানিকীকরণে সফলতা দেখিয়েছেন। গণমাধ্যমে উঠে আসা খবরে বিশেষ করে ভূমিকম্পে রাজধানীর ৩০০ ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া থেকে বিরত থেকেছেন। এদিকে  দুর্নীতির মাধ্যমে অনুমোদনহীন নকশায় ভবন নির্মাণ বিষয়ে তিনি প্রচ্ছন্ন সমর্থন জুগিয়েছেন। 

জানা গেছে, বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) চেয়ারম্যান পদে দুই বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পান। ২০২৫ সালের ৮ মার্চ এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। একই দিনে পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সংস্থাটির তৎকালীন চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) ছিদ্দিকুর রহমানের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করা হয়।এদিকে পরিচালক পদ থেকে সরাসরি চেয়ারম্যান পদ বাগিয়ে নেওয়ার ঘটনা রাজউকের ইতিহাসে যা ছিল প্রথম ঘটনা। আর সেটি  ঘটিয়েছেন এই মহা তদবিরবাজ প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম। তার এক বছরের কার্যকালে হেন কোনো দুর্নীতি নেই যার সঙ্গে পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষভাবে সংশ্লিষ্টতা নাই। নিজের পকেট ভারি করতে তিনি দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিয়েছেন।  তারই ধারাবাহিকতায় তিনি নতুন করে চালু করেছেন রাজউকের প্রধান কার্যালয়ে প্রবেশে সাংবাদিকসহ সেবা গ্রহীতাদের এন্ট্রি পাস। এতে সংবাদ সংগ্রহ করতে আসা সাংবাদিকসহ সেবাগ্রহীতারা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। এমনকি  গণমাধ্যমকর্মীরা সংবাদ সংগ্রহের জন্য রাজউক প্রধান কার্যালয়ে গেলে প্রথমেই তাদের প্রবেশপথে আটকিয়ে দেওয়া হয়। জেরা করা হয় এমনকি তাদের নিবৃত করতে নানা উদ্ভট প্রশ্ন করা হয়। এতে বিড়ম্বনার শিকার হয়ে অনেক গণমাধ্যমকর্মী রাজউকের সংবাদ সংগ্রহ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছেন। কিন্তু কথায় আছে ‘পাপ ছাড়ে না বাপকে’- তাই  নতুন খবর হচ্ছে হাইকোর্ট রাজউক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রিয়াজুল ইসলামের বিরুদ্ধেআদালত অবমাননার রুল জারি করেছেন। আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়নে ব্যর্থতার দায়ে তাকে (রাজউক চেয়ারম্যান) সশরীরে আদালতে আগামী ২৬ জুলাই বা এর পূর্বে হাজির হয়ে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত এই সময়ের মধ্যে হাজির বা কারন দর্শাতে ব্যর্থ হলে রাজউক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করার নির্দেশনা রয়েছে।  এর আগে হাইকো র্টবিভাগের একটি ডিভিশন বেঞ্চ কর্তৃক রিট পিটিশন( নং-১১০১২/২০২৫)এ গত ১৮ জানুয়ারি) আদালতের আদেশ ইচ্ছাকৃত ও জেনেশুনে অবাধ্যতা এবং তা অমান্য করার রাজউকের চেয়ারম্যানকে রিট পিটিশনেজড়িত সম্পত্তির যৌথ জরিপ করেএ বছর ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আদালতে একটি প্রতিবেদন দাখিলের  নির্দেশ দেয়া হয়। কিন্তু‘ রাজউক চেয়ারম্যান সেই নির্দেশ পালনে ব্যর্থ হয়। এদিকে নির্দেশ অমান্য করায় তার বিরুদ্ধে এই রুল জারি করা হয়। শোকজ নোটিশের আগে রাজউক চেয়ারম্যানকে লিখিতভাবে জানাতে বলা হয় কেন তিনি আদালতের আদেশ প্রতিপালন করেননি? যদি আদালত তাঁর ব্যাখ্যায় সন্তষ্ট না হন, তবে তাঁর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার দায়ে আইননুযায়ী শাস্তিমূলকব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি আদেশে উল্লেখ করা হয়। আদালতের নির্দেশনা স্পষ্ট করছে তিনি জেনেশুনেও তিনি আদালতের আইন উপেক্ষা করেছেন বা আইনগত  কাজ করেননি অথবা আদালতের নির্দেশনা উপক্ষো করেছেন। 

এদিকে রাজউকে বর্তমানে উন্নয়নমূলক কাজে অধিক গুরুত্বারোপ করায় এবংআবাসন ও রিয়েল এস্টেট ব্যবসার মাধ্যমে মুনাফা অর্জনকে প্রাধান্য দেওয়ায় পরিকল্পনা প্রণয়ন ও নিয়ন্ত্রণমূলক কার্যক্রমের মত গুরুত্বপূর্ণ কাজ সবসময় উপেক্ষিত থাকছে। তারই কয়েকটি দৃষ্টান্তের ভিতরে রাজধানীর ৪১/৫ পুরানা পল্টন এলাকায় রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় পেশিশক্তি খাটিয়ে অনুমোদিত নকশা বহির্ভূতভাবে ভবননির্মাণ করা হয়েছে। এদিকে অভিযোগ তদন্তে যেয়ে নয়া বন্দোবস্তে জড়িয়েছে প্রতিষ্ঠনটির কর্মচারীরা।এসব অভিযোগ পেয়ে সরেজমিন পরিদর্শনে নামেন রাজধানী উন্নয়নকর্তৃপক্ষের (রাজউক) একটি কারিগরি দল। দলটি সরেজমিনে তদন্তের নামে নিজেদের দুর্নীতির বিস্তার ঘটিয়েছে। রাজউকের অথরাইজড অফিসার অতিরিক্ত দায়িত্ব:উপপরিচালক (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ-১) আব্দুল্লাহ আল মামুন অনুমোদনহীন নকশায় ভবন নির্মাণ মালিকদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ না নিয়ে আর্থিক লেনদেনে জড়িয়েছেন। তার এই অপকর্মের ফিরিস্তি দিয়েছেন রাজধানীর ৪১/৫, পুরানা পল্টন (কালভার্ট রোড) এর বাসিন্দা মো. নাজির আহমেদ বাবু। রাজউকের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নেওয়ায় তার নির্মিত ভবনটিঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলেও অভিযোগ তার।এদিকে হাইকোর্ট বিভাগের নির্দেশনার প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট ভবনের পরিমাপ ও নকশা যাচাই করে প্রতিবেদন দাখিলের অংশ হিসেবে (শুধু খাতা কলমে লেখা) এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। অভিযোগ উঠেছে,আব্দুল্লাহ আল মামুন বিপুল পরিমাণ অর্থপকেটস্থ করে  নিরব হয়ে গেছেন। এর আগে গত বছর রাজউকের একটি ভ্রাম্যমাণ দল অবৈধভাবে নির্মিত ভবনটির কিছু অংশ ভেঙে ফেলে। কিন্তু অদৃশ শক্তির বলে ভবন মালিক ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে তা পুর্ণনির্মাণ করে নেন। প্রকাশ্রে এমন ঘটনা ঘটলেও রাজউকের পরিদর্শন টিম কোন পদক্ষেপ নেয়নি । ভূক্তভোগীদের শঙ্কা রাজউকের নিরপেক্ষ তদন্তে প্রকৃত চিত্র উঠে এলেও কেবলমাত্র সেচ্ছাচারিতার কারণে  আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেবে না রাজউক। এই শঙ্কা   প্রকাশ করছেন ভুক্তভোগী মো. নাজির আহমেদ।

গত ৯ ফেব্রুয়ারি রাজউক চেয়ারম্যান বরাবর দাখিল করা এক আবেদনে নাজিরআহমেদ অভিযোগ করেন, পাশের ৪১/৫/এ নম্বর হোল্ডিংয়ের মালিক অনুমোদিত নকশা উপেক্ষা করে বহুতল ভবন নির্মাণ করেছেন। এতে তার মালিকানাধীন জমির অংশক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ছয়তলা ভবনের কার্নিশ ভেঙে ফেলা হয়েছে।আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালে ১৫ জানুয়ারি রাজউকের কাছে অবৈধ অংশঅপসারণের জন্য লিখিত আবেদন করা হয়। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট ভবন মালিক ওডেভেলপারের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে ১০৯৫/২০২৪ এবং ১২৭৫২/২০২৪ নম্বরদুটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়। রিটের পরিপ্রেক্ষিতে রাজউকের নোটিশেরকার্যকারিতা সাময়িকভাবে ¯’গিত হয়। তবে অভিযোগকারী পক্ষের দাবি ¯’গিতাদেশের আড়ালে নির্মাণকাজ চলতে থাকে।এদিকে গেল বছর ২০ আগস্ট রাজউকের পক্ষ থেকে অবৈধ ¯’াপনা চিহ্নিত করে একটিচিঠি দেওয়া হয়। এতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অবৈধ অংশ অপসারণের নির্দেশনাদেওয়া হয়েছিল। ডেভেলপার প্রথমে অপসারণে অনীহা প্রকাশ করলেও পরে সাত দিনেরসময় চান। নির্ধারিত সময় শেষে আংশিক অপসারণ করা হলেও ভবনের পূর্বাব¯’ায়ফেরানো হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়েছে।পরবর্তীতে বিষয়টি আবারও হাইকোর্টে উপ¯’াপন করা হলে চলতি সালের গত ১৮জানুয়ারি আদালত একটি আদেশ দেন। আদেশে রাজউককে নির্দেশ দেওয়া হয়,সংশ্লিষ্ট ভবনটি অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী নির্মিত হয়েছে কি না এবংকোনো অবৈধ অংশ রয়েছে কি না তা সরেজমিন তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলকরতে। আদালত আরো জানতে চান, অনুমোদিত নকশা বহির্ভূত নির্মাণেরমাধ্যমে আবেদনকারীর মালিকানাধীন অংশ অনুপ্রবেশ করা হয়েছে কি না।হাইকোর্টের নির্দেশনার আলোকে রাজউকের একটি দল সম্প্রতি ঘটনা¯’লপরিদর্শন করে ভবনের পরিমাপ ও কাঠামোগত অব¯’া যাচাই শুরু করেছে।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অনুমোদিত প্ল্যানের সঙ্গে বাস্তব নির্মাণ মিলিয়ে দেখাহ”েছ। প্রয়োজনে ভবনের উ”চতা, সীমানা, কার্নিশ, খোলা জায়গা ও সেটব্যাকসংক্রান্ত বিষয়ও পরীক্ষা করে দেখা হবে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত প্রতিবেদন উ”চআদালতে জমা দেওয়া হবে।আবেদনকারী মো. নাজির আহমেদ দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে আইনি লড়াই ওপ্রশাসনিক জটিলতায় তিনি আর্থিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।তিনি আশা প্রকাশ করেন, রাজউকের নিরপেক্ষ তদন্তে প্রকৃত চিত্র উঠে আসবেএবং আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী যথাযথ ব্যব¯’া নেওয়া হবে। তবে অভিযুক্ত ভবনমালিক বা ডেভেলপারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়াযায়নি। রাজউকের সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, আদালতের নির্দেশনা মেনেনিয়ম অনুযায়ী পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালিত হ”েছ এবং নির্ধারিত সময়েরমধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।রাজধানীতে অনুমোদনহীন নকশায় ভবন নির্মাণ নিয়ে অভিযোগ নতুন নয়। নগরপরিকল্পনাবিদদের মতে, যথাযথ তদারকি ও আইন প্রয়োগ নিশ্চিত না হলে এ ধরনেরঅনিয়ম বাড়তে পারে। ফলে আদালতের নির্দেশনার পর রাজউকের সক্রিয় ভূমিকাভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত ¯’াপন করতে পারে বলেমনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।এখন আদালতে দাখিলকৃত পরিদর্শন প্রতিবেদনের ওপরই নির্ভর করছে পরবর্তীপ্রশাসনিক ও আইনগত পদক্ষেপ। সংশ্লিষ্ট ভবনের অনুমোদনহীন অংশ প্রমাণিত হলেতা অপসারণসহ প্রয়োজনীয় ব্যব¯’া নেওয়া হতে পারে। অবৈধ ভবন নির্মাণের যেদৃশ্য দেখেছেন সে বিষয়ে আপনাদের পরবর্তী পদক্ষেপ কি হবে এমন প্রশ্নের জবাবেসরেজমিন পরিদর্শনে আসা রাজউকের অথরাইজড অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুনএর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আদালতের আদেশ আমরা পালন করছি।আদালতেই রিপোর্ট দিব। আদালত থেকে রীট করা হয়েছে। আদালত থেকে নির্দেশদিয়েছেন দেখার জন্য। আমরা যথা সময়ে রিপোর্ট আদালতে জমা দিবো।এ বিষয়ে রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রেজাউল ইসলাম এর সঙ্গেযোগাযোগ করা হলে তিনিও কোন সাড়া দেন না। তবে নাজির আহমেদ আরোবলেন, আমার বাড়ি ভাঙচুর করে অবৈধভাবে ভবনটি নির্মাণ করা হয়েছে। আমিসরকারের কাছে এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।এদিকে রাজধানীর পুরানা পল্টন কালভার্ট রোডের ৪১/৫/প্লটের মালিক মনির আহমেদমনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাকেও পাওয়া যায় না। তবে জানা গেলে আওয়ামীলীগ পন্থী হিসেবে পরিচিতি পাওয়া এই ব্যক্তি তাই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে।

Sangbad Sarabela

সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী আবু জাফর

যোগাযোগ: । [email protected] । বিজ্ঞাপন ও বার্তা সম্পাদক: 01894944220

ঠিকানা: বার্তা ও বাণিজ্যিক যোগাযোগ : বাড়ি নম্বর-২৩৪, খাইরুন্নেসা ম্যানশন, কাঁটাবন, নিউ এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা-১২০৫।

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 Sangbad Sarabela All Rights Reserved.