রাজশাহী নগরীর কল্পনা হলের (স্বচ্ছ টাওয়ার) মোড়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় চলছে স্টেজ তৈরির কর্মযজ্ঞ। প্রধান সড়কের উপরে প্রায় ৫০ টি বাশ রেখে লেবাররা নিজ কাজে ব্যস্ত সময় পর করছে। এই ধরনের নির্বুদ্ধিতা আর পথচারিদের ঝুঁকিতে ফেলে কর্মযজ্ঞ চালানোর কারনে বিষয়টিকে নিয়ে নেটিজেন ও রাস্তায় চলাচলকারিরা বিরূপ মন্তব্য করছেন।
কোন নিয়ম ও বাধ্যবাধকতাকে না মেনে যানচলে বিঘ্ন ঘটানো, কৃত্রিম ট্রাফিক জ্যাম আর অনাকাঙ্খিত ঝুঁকি সৃষ্টির কারনে বেশ বেকায়দায় পরেছে চলাচলকারিরা। স্থানীয়দের দেয়া তথ্য মতে, মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যার পর থেকে শহরের এই অতিগুরুত্বপূর্ণ সড়কে ঘন্টার পর ঘন্টা গাড়ি ঘোরার জ্যাম লেগেইছিলো। সড়কের প্রায় অর্ধাংশ স্থানে উন্মুতভাবে বাঁশ ফেলে রাখার কারনে চরমভাবে যানচলে বিঘ্ন ঘটে। যতসামান্য অসর্তকতার কারনে ঘটে পারে ভয়ঙ্কর কোন দুর্ঘটনা। বাশের অগ্ৰভাগ সবসময়ের জন্যই বিপদজনক। তাই, ছোট ও হালকা যে কোন যানবাহনের জন্য বিষয়টি নির্দ্বিধায় ঝুঁকিপূর্ণ।
স্থানীয়দের বিক্ষুব্ধ কন্ঠে বলেন, জাতীয় কিংবা স্থানীয়, যে ধরনের প্রোগ্ৰামাই হোকনা কেনো, জনগণের দুর্ভোগ আর ঝুঁকি বাড়িয়ে এই পন্থায় কর্মযজ্ঞ চালানো অনুচিত। এই ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ কাজ পারতোপক্ষে একটু বেশি রাতে করাটাই ভালো। রাত এগারোটার মধ্যে এই সড়কে মানচলাচল ও পথচারিদের আনাগোনা অনেকটাই কমে যায়। সংশ্লিষ্টদের উচিত ছিল জনভোগান্তি আর পথচারিদের ঝুঁকির বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে রাত এগারোটার পরে কাজ শুরু করা। স্থানীয়রা মন্তব্য করতে গিয়ে আরো বলেন, স্টেজ তৈরির স্থল আলুপট্টিতে বাশগুলো স্তুপাকারে রাখলে ভোগান্তি ও ঝুঁকি দুটোই হ্রাস পেতো। কিন্তু সেটা না করে কল্পনা হলের সড়কে বাশ স্তুপাকার করে ফেঁলে রাখাই দুটোই এখন ঊর্ধমূখী।
সেখানে কর্মরতদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, এখানে একটা স্টেজ করা হবে। কিসের স্টেজ বা কারা করছে সেটার উত্তর তাদের জানানেই বলে জানান তারা।