বিশ্ব মানবতার মুক্তির অনন্য দিশারী,রহমাতুল্লিল আলামীন, শাফিউল মুজনাবিন হযরত মুহাম্মদ মুস্তাফা (দ:) এর পৃথিবীতে শুভ আগমন উপলক্ষে চন্দনাইশে হযরত শাহ আমিনুল্লাহ জুলুস কমিটি উদযাপন পরিষদের এর ব্যবস্থপনায় পবিত্র জশনে জুলুছে ঈদে মিলাদুন্নবী (দ:) উদযাপন করা হয়েছে। নবী প্রেমিক শত শত মানুষের অংশ গ্রহনে গত (১৫ আগষ্ট) শনিবার সকালে জশনে জুলুছ হযরত আমিনুল্লাহ শাহ মাজার শরীফ থেকে গাছবাড়িয়া,খাঁনহাট,বাগিছাহাট,নয়াহাট,চন্দনাইশ পৌরসভা দিয়ে পুনরায় মাজার শরীফের মাঠে এসে শেষ হয়।
পরে গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ চন্দনাইশ পৌরসভার সাবেক সভাপতি জাহাগীর মুহাম্মদ আবদুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
এই সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট-এর কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য মুফতি আহমদ হোসেন আল কাদেরী,চন্দনাইশ উপজেলার সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান মাওলানা সোলাইমান ফারুকী,পূর্ব ছৈয়দাবাদ সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আবুল কাশেম আনছারী, হযরত আমিন উল্লাহ শাহ জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আবুল কাশেম নুরী, পৌরসভা মেয়র পদপ্রার্থী মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন,বিশিষ্ট সমাজ সেবক ফেরদৌস ওয়াহিদ,জুলুস কমিটির আহবায়ক মাওলানা মোহাম্মদ ছৈয়দুল হকসহ জুলুস উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ, গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ, বাংলাদেশ ইসলামি ফ্রন্ট, যুবসেনা,ছাত্রসেনার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এই বক্তারা বলেন, রাসূল করিম (দ:) এর পৃথিবীতে আগমন ছিল মানবতার মুক্তির জন্য।
মহান আল্লাহর পরিপূর্ণ ধর্ম দ্বীন ইসলামকে রাসূল করিম (স.) এর মাধ্যমে মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন। মানবতার মুক্তির জন্য রাসূল (স.) অগ্রদূত হিসেবে কাজ করেছেন। পবিত্র কোরআন ও হাদিস শরীফ চর্চার মাধ্যমে দ্বীন ইসলামকে ধরে রাখার জন্য তিনি আমাদের কাছে রেখেগেছেন। মহান রবিউল আউয়াল মাস ও ঈদে মিলাদুন্নবী (স.) পালনের মাধ্যমে দ্বীন ইসলামের অনুসারিদের আলোকিত জীবনের অধিকারী হতে হবে। পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (স.) আমাদের জন্য মহা নেয়ামত।