ইসলামি ফাউন্ডেশনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা শাহ মো. নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে। তাঁর দাবি, একটি কুচক্রী মহল বিভিন্ন অনিবন্ধিত অনলাইন ও ফেসবুক পেজে মনগড়া তথ্য প্রচার করে তাঁর সামাজিক ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে।
অভিযোগগুলোর বিষয়ে শাহ নজরুল ইসলাম বলেন, “বাস্তবতার সঙ্গে এসব অভিযোগের কোনো মিল নেই। ইচ্ছেমতো মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য যুক্ত করে আমাকে হয়রানি করা হচ্ছে।”
ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমিতে প্রভাব খাটিয়ে পদ দখলের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তেই তাঁকে সিলেট থেকে ঢাকায় পদায়ন করা হয়েছে। তিনি ষষ্ঠ গ্রেডের কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট উপপরিচালকের পদও একই গ্রেডের।
মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা প্রকল্পে কেয়ারটেকার থেকে সুপারভাইজার পদে উন্নীত হওয়ার অভিযোগও তিনি নাকচ করে জানান, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আবেদন করে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তিনি সুপারভাইজার পদে যোগ দেন।
বয়স জালিয়াতি, রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ওঠা অভিযোগও অস্বীকার করে শাহ নজরুল ইসলাম বলেন, “আমার নিয়োগ, বয়স, পদায়ন বা অন্য কোনো বিষয়ে প্রশ্ন থাকলে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই করে নিরপেক্ষ তদন্ত করা হোক। আমি তদন্তকে স্বাগত জানাই। তবে অভিযোগের সঙ্গে প্রমাণ থাকতে হবে।” তিনি আরো বলেন একতরফাভাবে, ইচ্ছেমতো মিথ্যা তথ্য সংযোজন করে একজন মানুষকে সামাজিকভাবে অপমান ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করা কোনোভাবেই কাম্য নয়। শাহ নজরুল ইসলাম তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত ভিত্তিহীন মনগড়া মিথ্যা সংবাদের তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানান, ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।