নেত্রকোনা সদর ও ঠাকুরাকোনা খাদ্য গুদামে ১৪ ট্রাক নিম্নমানের পুরাতন চাল সরবরাহের ঘটনার অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। এই দুর্নীতির নেপথ্যে রয়েছে জেলার প্রভাবশালী মজুমদার অটো রাইস মিল চক্র।অনুসন্ধানে দেখা যায়, মজুমদার একাই তার নিজের নামে ও বেনামে ৪ থেকে ৫টি চালকলের নামে সরকারি বরাদ্দ নিচ্ছে। নিয়ম অনুযায়ী সরকারের বরাদ্দে নির্ধারিত নতুন বস্তায় উন্নতমানের চাল সরবরাহ করার কথা থাকলেও মজুমদারের অটো রাইস মিলে গোপনে তৈরি হচ্ছে পুরাতন, ছেঁড়াফাটা ও নিম্নমানের বস্তা সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে
মজুমদার অটো রাইস মিলের ভেতরেই পুরাতন বস্তা সেলাই করে নতুনের মত করে বস্তাবন্দি করা হচ্ছে এবং সেই বস্তাতেই নিম্নমানের পুরাতন চাল ভরে সরকারি গুদামে পাঠানো হচ্ছে।স্থানীয় একাধিক মিল মালিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, মজুমদার সিন্ডিকেট সাবেক জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) মোয়েতাছিমুর রহমান কে ম্যানেজ করে বছরের পর বছর এই অপকর্ম করে আসছে। ২৮ জুন থেকে ৮ জুলাই পর্যন্ত অতুল এর নামে ৭ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার লেনদেন। অতুল হলো মাঠের ক্যাশ কালেক্টর। "ফাঁস হলো মজুমদার মিলের গোপন লেজার: ডিসি ফুডের আটা বরাদ্দে লাখ টাকা কমিশন, ১৯ লাখ টাকার ভুয়া গম বিল। এই দুইটা ডকুমেন্ট মিলে কি প্রমাণ হয়?
মজুমদার একা না। সে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক এর বরাদ্দ নিজের মিলের নামে নিয়ে, বেনামী পার্টি মুগ্ধ হাজং সহ অতুল এর মাধ্যমে টাকা পাচার ও ভুয়া গম/আটা দেখাচ্ছে। সরকারকে চাল দেওয়ার নামে কাগজে-কলমে টাকা খরচ দেখাচ্ছে, কিন্তু মাল যাচ্ছে না।
ফলে প্রকৃত ও সৎ মিল মালিকরা বরাদ্দ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।এ বিষয়ে মজুমদার অটো রাইস মিলের মালিকের বক্তব্য নেওয়ার জন্য একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি।
মজুমদার অটো রাইস মিল টি বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের আমল থেকে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ব্যবসা করে আসছে মজুমদার মিল এর প্রোপাইটার সুজিত মজুমদারের বোনের ছেলে জন সাহা
আওয়ামী লীগের সাবেক প্রতিমন্ত্রী নেত্রকোনা দুই আসনের সাবেক এমপি আশরাফ আলী খান খসরু এপিএস থাকার সুবাদে জেলার খাদ্য অফিস নিয়ন্ত্রণ করে মজুমদার অটো রাইস মিল ।
খাদ্য বিভাগের এই সংঘবদ্ধ দুর্নীতির তদন্ত করে জড়িত মিলগুলোর লাইসেন্স বাতিল ও জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।