৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আমি দেশবাসীকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসে ৭ই নভেম্বর একটি গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ দিন। এই দিনটি আমাদের জাতীয় ঐক্য, সংহতি, দেশপ্রেম এবং স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার চেতনাকে স্মরণ করিয়ে দেয়। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্ঠাতা বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক রাষ্ট্রপতি স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান শিখিয়ে গিয়েছেন গণতন্ত্র সার্বভৌমত্ব দেশ পরিচালনা সহ দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে কিভাবে একটি উন্নতি জাতি তৈরি করা যায় সেই পথ দেখিয়ে গিয়েছেন ।
সেই ধারাবাহিকতা দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে আমার নেত্রী তিন তিনবারের আপসিন নেত্রী গণতন্ত্রের প্রবক্তা সফলভাবে দেশ পরিচালনা করে গিয়েছেন তারই উত্তরসূরী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে দেশ পরিচালনা করে যাচ্ছেন । জাতীয় জীবনের নানা সংকট ও পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক ঘটনাবলি আমাদের দেশ ও জাতির প্রতি দায়িত্ববোধ এবং পারস্পরিক ঐক্যের গুরুত্ব অনুধাবনের সুযোগ সৃষ্টি করে।
আমি বিশ্বাস করি, একটি সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য, জনগণের অধিকার, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই। বিভেদ ও প্রতিহিংসা নয়, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা ও সংহতির মধ্য দিয়েই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।
৭ নভেম্বরের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র এবং জনগণের অধিকার সুরক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানাই।
মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি, তিনি যেন আমার প্রিয় নেতা বাংলাদেশের অহংকার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এই দেশকে যেন উনার নেতৃত্বে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে বিশ্বের দরবারে সেই সাথে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পরিবার সহ সকলের সুস্বাস্থ্য কামনা করছি সেই সাথে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশকে শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাওয়ার তাওফিক দান করেন।