চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পাঁচগাছিয়া মুন্সি বাড়িতে ওয়ারিশ ও ক্রয়সূত্রে বৈধ মালিকানার জমি জোরপূর্বক দখল এবং গাছ কেটে তছরুপ করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। গত ৬ নভেম্বর ২০২৬, সকালে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে এই জবরদখল ও গাছ কাটার ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই ঘটনা ঘটে। অভিযুক্তরা হলেন— আবদুল ওহেদ (৬২), পিতা মৃত এনায়েত আলী মুন্সি; মো. আসলাম মুন্সি (৪০), পিতা মৃত এনায়েত আলী মুন্সি; মিসেস আকলিমা বেগম (৩৫), স্বামী মৃত এনায়েত আলী মুন্সি এবং মো. সাইদুল ইসলাম (২৫), পিতা মৃত কবির মুন্সি।
ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ করে জানায়, অভিযুক্তরা জোরপূর্বক জমির প্রায় ২০ থেকে ২৫টি গাছ কেটে নিয়ে গেছেন, যার ফলে তাদের আনুমানিক ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে।
এই জমি নিয়ে ইতিপূর্বে বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চাঁদপুর-এর আদালতে মামলা (নম্বার- ৫৫৩/২০২৩, স্মারক নম্বর- ৭৫২, তারিখ: ১১/০৫/২০২৩ খ্রি.) দায়ের করা হয়। পরবর্তী সময়ে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তদন্ত সাপেক্ষে বিবাদী সালাউদ্দিন গংয়ের পক্ষে রায় ও প্রতিবেদন আসে।
জমির মালিকানা ও দখল সংক্রান্ত বিবরণে জানা যায়, সিএস ৪১৭ দাগে মোট ২২ শতাংশ জমি রয়েছে। এর মধ্যে বাদী আ. ওহেদ মুন্সী গংরা ১৫৫৯ নম্বর খতিয়ানে ৪ শতাংশ জমির মধ্য থেকে ২ শতাংশ রাস্তার পাশে দখলসূত্রে ভোগদখল করে আসছেন। অন্যদিকে, বিএস ২৭৩৭ খতিয়ানের জমি পরিবর্তিত বা নামজারি হয়ে ৫৫৬১ নম্বর খতিয়ানে রূপ নেয়। পরবর্তীতে শাহিদা গং ওই জমির অংশ সালাউদ্দিন গংয়ের কাছে বিক্রয় করেন, যার মাধ্যমে ৬০১৩ নম্বর খতিয়ানে সালাউদ্দিন গং উক্ত জমির আইনগত বৈধ মালিক হন।
প্রায় ২০ বছর ধরে বাড়ীর মুরোব্বীদের ধারা ভাগ করা অংশ ভোগদখল করে আসছিলেন। শাহিদা গং তাদের মধ্যবর্তী দখলকৃত ৭ শতাংশ জমি (৪১৭ দাগের অংশ) সালাউদ্দিন গংয়ের কাছে বিক্রি করেন।
ভুক্তভোগী সালাউদ্দিন গংয়ের স্ত্রী জানান, ‘আমার স্বামী ওয়ারিশদের কাছ থেকে এই জমি কিনেছেন। ৪১৭ দাগে রাস্তার পাশের অংশ ওহিদ মুন্সি গং এবং মধ্যখানের অংশ শাহিদা (ওয়ারিশ) গং ভোগদখল করে আসছিলেন। পরবর্তীতে শাহিদা গংদের মধ্যবর্তী দখলকৃত ৭ শতাংশ জমি আমার স্বামী ক্রয় করেন। কিন্তু বিবাদীরা আজ জোরপূর্বক সেই জমির গাছ কেটে নিয়ে যান এবং জায়গা জবরদখল করার চেষ্টা চালান।’
এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, আদালতের আদেশ ও জমির বৈধ কাগজপত্রের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে উভয় পক্ষের বিরোধ আইনি ও শান্তিপূর্ণ উপায়ে মীমাংসা করা উচিত। অননুমোদিত জবরদখল ও গাছ কাটার মতো বেআইনি কর্মকাণ্ড বন্ধে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মৃত এনায়েত আলী মুন্সির ছেলে আব্দুল ওহেদ,মো. আসলাম মুন্সি (৪০), মৃত এনায়েত আলী মুন্সির ছেলে মো: আসলাম, মৃত এনায়েত আলী মুন্সির স্ত্রী
মিসেস আকলিমা বেগম (৩৫) এবং মৃত কবির মুন্সির ছেলে মো: সাইদুল ইসলাম এর সাথে কথা হলে স্থানীয় সাংবাদিকদের তারা জানান এই জায়গা আমাদের আমরা থানা থেকে পারমিশন এনে গাছ কেটেছি ৷
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী আবু জাফর
যোগাযোগ: । [email protected] । বিজ্ঞাপন ও বার্তা সম্পাদক: 01894944220
ঠিকানা: বার্তা ও বাণিজ্যিক যোগাযোগ : বাড়ি নম্বর-২৩৪, খাইরুন্নেসা ম্যানশন, কাঁটাবন, নিউ এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা-১২০৫।
© 2026 Sangbad Sarabela All Rights Reserved. Design & Developed By Root Soft Bangladesh
