স্মার্টওয়াচ হৃদস্পন্দন ও ঘুমের মতো স্বাস্থ্য সূচক ট্র্যাক করতে সাহায্য করলেও এর ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য-সম্পর্কিত উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা জানান, সমস্যা প্রযুক্তি নয়, বরং শরীরের নিজস্ব সংকেতের চেয়ে ঘড়ির রিডিংকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া।
দৈনন্দিন স্কোর যখন আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করে, তখন তা ক্ষতিকারক হয়ে দাঁড়ায়।
স্বভাবগতভাবে উদ্বিগ্ন বা নিখুঁততা পছন্দকারী ব্যক্তিরা এসবে বেশি আসক্ত হন। খারাপ ঘুমের স্কোর বা কম রিকভারি রেটিং অনেক সময় কোনো মেডিকেল সমস্যা ছাড়াই বড় রোগের আশঙ্কা তৈরি করে। অথচ এসব ডিভাইসের অ্যালগরিদম পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়নের বদলে অনুমানের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে।
সাময়িক ক্লান্তি বা সামান্য হৃদস্পন্দনের পরিবর্তনকে ‘উচ্চ চাপ’ হিসেবে দেখালে ব্যবহারকারীরা নিজেদের অসুস্থ ভেবে ভুল করেন এবং সুস্থ থাকা সত্ত্বেও ব্যায়াম বা কাজ বন্ধ রাখেন।
চিকিৎসকরা বলছেন, স্মার্টওয়াচ সচেতনতা বাড়ালেও তা পেশাদার চিকিৎসার বিকল্প নয়। নড়াচড়া, ডিহাইড্রেশন বা ক্যাফেইনের কারণেও রিডিং ভুল হতে পারে। তাই প্রতিদিনের স্কোরের ওঠানামায় না ভুগে দীর্ঘমেয়াদি সুস্থতার দিকে নজর দেওয়া উচিত। ঘড়ির রিডিং দেখে উদ্বিগ্ন হওয়া বা মেজাজ খারাপ হওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলে অভ্যাস পুনর্বিবেচনা করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।