ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের আগে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমোদন প্রয়োজন হবে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রবিবার (৮ মার্চ) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ওয়াশিংটনের সম্মতি ছাড়া ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকতে পারবেন না। আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরানের যেকোনো নতুন নেতার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সম্মতি প্রয়োজন হবে। অন্যথায় তিনি ‘বেশিদিন টিকে থাকতে পারবেন না’। কৌশলগত পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প জানান, তিনি চান না ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র আবারও ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ুক।
তিনি বলেন, “আমি চাই না মানুষকে পাঁচ বছর পর আবার ফিরে এসে একই কাজ করতে হোক। তার চেয়েও বড় আশঙ্কা হলো—তাদের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র চলে আসা।” তবে ট্রাম্পের এ মন্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছেন ইরানি কর্মকর্তারা। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি রোববার সকালে বলেন, দেশের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন করা সম্পূর্ণভাবে ইরানের জনগণের বিষয় এবং তারা যেকোনো বিদেশি হস্তক্ষেপ প্রত্যাখ্যান করে।
ইরানের জ্যেষ্ঠ আলেম আহমদ আলমোলহোদা জানিয়েছেন, বিশেষজ্ঞ পরিষদ ইতোমধ্যে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির উত্তরসূরি নির্বাচনের জন্য ভোট দিয়েছে। তবে তিনি সম্ভাব্য কোনো প্রার্থীর নাম প্রকাশ করেননি।
এর আগে ট্রাম্প আরেকটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, তিনি নির্বাচন প্রক্রিয়ায় ব্যক্তিগতভাবে জড়িত থাকার আশা করছেন। এ সময় সম্ভাব্য শীর্ষ পদপ্রার্থী এবং নিহত সর্বোচ্চ নেতার ছেলে মোজতবা খামেনিকে তিনি ‘অযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেন।