গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলের দিকে ঘুড়ি ওড়ানোর ঘটনাকে আর হালকাভাবে দেখছে না ইসরায়েল। গাজা থেকে যেকোনো ধরনের উড্ডয়ন বা নিক্ষেপের ঘটনায় সেনাবাহিনীকে তাৎক্ষণিক ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ। খবর দ্য টাইমস অব ইসরায়েলের।
সাম্প্রতিক কয়েক দিনে গাজা থেকে ওড়ানো অন্তত চারটি ঘুড়ি ইসরায়েলের নাহাল ওজ কিবুতসে গিয়ে পড়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ঘুড়িগুলোতে সন্দেহজনক কোনো বস্তু পাওয়া যায়নি। এগুলো থেকে সাধারণ মানুষের জন্যও কোনো ঝুঁকি তৈরি হয়নি।
তবে দক্ষিণ ইসরায়েলে অতীতে গাজা থেকে দাহ্য পদার্থ বহনকারী ঘুড়ি ও বেলুন পাঠানোর ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘুড়ি ও বেলুনের মাধ্যমে সীমান্তবর্তী এলাকায় আগুন লাগানোর অভিযোগও রয়েছে।
এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী কাটজ বলেন, পশ্চিম নেগেভের ইসরায়েলি বসতিগুলোর দিকে গাজা থেকে যেকোনো ধরনের উড্ডয়ন বা নিক্ষেপের ঘটনা মোকাবিলায় তিনি সেনাবাহিনীকে অবিলম্বে ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
তিনি বলেন, গাজা থেকে যেকোনো কিছু পাঠানোর ঘটনাকে তিনি সব দিক থেকেই যুদ্ধের কর্মকাণ্ড হিসেবে দেখছেন। ইসরায়েলি বসতিগুলোর পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও জানান তিনি।
কাটজ আরও বলেন, বেলুনকে ঘুড়ি হিসেবে বিবেচনা করা হবে, আর ঘুড়িকে ড্রোন হিসেবে গণ্য করা হবে—সেগুলোর সঙ্গে বিস্ফোরক থাকুক বা না থাকুক।
তিনি সতর্ক করে বলেন, যারা এ ধরনের কিছু তৈরি, উৎক্ষেপণ বা এতে সহায়তা করবে, তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে এবং সর্বোচ্চ কঠোরতার সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
২০১৮ সাল থেকে গাজার ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে ইসরায়েলের দিকে দাহ্য পদার্থ বহনকারী ঘুড়ি ও বেলুন ওড়ানোর অভিযোগ রয়েছে। এসবের কারণে সীমান্তবর্তী ইসরায়েলি বসতি ও বিস্তীর্ণ এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাও ঘটেছে।
সূত্র: দ্য টাইমস অব ইসরায়েল