তথ্য ও প্রযুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়নে কাজ করা বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ডি.নেট তাদের গভর্নিং বডি চেয়ারপার্সন হিসেবে অধ্যাপক ড. শাহ মো. আহসান হাবিবকে নিয়োগ দিয়েছে। তাঁর এ নিয়োগ ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে কার্যকর হয়েছে। ডি.নেট-এর চলমান কার্যক্রম ও প্রাতিষ্ঠানিক অগ্রযাত্রায় এ সিদ্ধান্তকে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
ডি.নেট-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক হাবিব শিক্ষা, নীতিনির্ধারণমূলক গবেষণা, সুশাসন এবং উন্নয়ন অর্থায়নে কয়েক দশকের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম)-এর অধ্যাপক (সিলেকশন গ্রেড) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ব্যাংকিং, অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থায়ন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা (এসএমই) উন্নয়ন এবং গ্রিন ব্যাংকিংয়ে তাঁর অবদান দেশ ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সুপরিচিত। ডি.নেট-এর দায়িত্বের পাশাপাশি তিনি আইপিডিসি ফাইন্যান্স পিএলসি-এর একজন স্বাধীন পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন এবং প্রতিষ্ঠানটির বোর্ড অডিট কমিটি ও রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য।
অধ্যাপক ড. শাহ মো. আহসান হাবিব ভারতের একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের সিরাকিউজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সিনিয়র ফুলব্রাইট স্কলারশিপের আওতায় গ্রিন ব্যাংকিং বিষয়ে পোস্ট-ডক্টরাল ফেলোশিপ সম্পন্ন করেন। ২৯ বছরের বেশি পেশাগত জীবনে তিনি দেশের ও বিদেশের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদান, বিস্তৃত নীতিগত গবেষণা এবং বিশ্বব্যাংক, এডিবি, আইএফসি, ইউএনডিপি, ইউএনইপি, জিআইজেড, ডিএফআইডিসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে পরামর্শক হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি একজন প্রথিতযশা লেখক ও কলামিস্ট; অর্থনীতি ও উন্নয়ন বিষয়ক তাঁর ২৫০টির বেশি গবেষণা প্রকাশনা এবং ২৫০টিরও বেশি সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রবন্ধ রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে অধ্যাপক ড. শাহ মো. আহসান হাবিব বলেন, “এই দায়িত্ব গ্রহণ করতে পেরে আমি অত্যন্ত সম্মানিত ও আশাবাদী। ডি.নেট বরাবরই উদ্ভাবন, অন্তর্ভুক্তি ও মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার প্রতিশ্রুতি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। জ্ঞান ও প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষের ক্ষমতায়নে ডি.নেট-এর ভূমিকা আরও জোরদার করতে পারব বলে আমি প্রত্যাশা রাখি
অধ্যাপক হাবিব বর্তমানে আইসিসি বাংলাদেশ ব্যাংকিং কমিশনের সদস্য এবং ‘ভ্যালর অব বাংলাদেশ’-এর ট্রাস্টি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। চেয়ারম্যান হিসেবে তাঁর নিয়োগ ডি.নেট-এর শক্তিশালী সুশাসন, নেতৃত্ব এবং উদ্ভাবনের প্রতি অঙ্গীকারকে আরও দৃঢ় করল।