উচ্চশিক্ষা সম্প্রসারণ ও একাডেমিক সহযোগিতা জোরদার করতে ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইউনিভার্সিটি (আইএসইউ) ও মালয়েশিয়ার এশিয়া ই ইউনিভার্সিটি (এইউ) এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। বৃহষ্পতিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) আইএসইউর মহাখালী ক্যাম্পাসে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে আইএসইউ ট্রেজারার অধ্যাপক প্রফেসর এইচ টি এম কাদের নেওয়াজের সভাপতিত্বে, গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এশিয়া ই ইউনিভার্সিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট, সহযোগী অধ্যাপক ড. নরলিনা বিনতি কামুদিন এবং স্কুল অব গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের পরিচালক, সহযোগী অধ্যাপক ড. সুয়া লি লি।
আইএসইউ-এর সেন্টার ফর রিসার্চ, ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড পাবলিকেশনস (সিআরডিপি) এর আয়োজনে আইএসইউ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় এমওইউ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান ও “উচ্চশিক্ষার সুযোগ” শীর্ষক সেমিনার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইএসইউ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. আবুল কাশেম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারপারসন অধ্যাপক ড. হাকিকুর রহমান, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর মোহাম্মদ আলী, আইএসইউ-এর রেজিস্ট্রার মো. ফাইজুল্লাহ কৌশিক, সিআরডিপির পরিচালক মো. মাহবুবুর রহমানসহ বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক-শিক্ষিকা, প্রশাসনিক কমকর্তা ও শিক্ষার্থীরা।
ড. নরলিনা বিনতি কামুদিন বলেন, এই সহযোগিতা শিক্ষার্থীদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করবে। একই সঙ্গে এটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইউনিভার্সিটির অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সেমিনারের আরেক বক্তা ড. সুয়া লি লি বলেন, আজকের এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর কেবল একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি নয়; বরং এর মাধ্যমে উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিনিময়, যৌথ গবেষণা কার্যক্রম, কোর্স কারিকুলাম উন্নয়নসহ নানামুখী একাডেমিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। এই সমঝোতার ফলে শিক্ষার্থীদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের উচ্চশিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং ভবিষ্যতে আরও কার্যকর একাডেমিক ও গবেষণাভিত্তিক উদ্যোগ বাস্তবায়নের পথ সুগম হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এ সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা মালয়েশিয়ার এ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক দক্ষতা, কর্মসংস্থান যোগ্যতা ও উদ্ভাবনী চিন্তাশক্তি বিকাশের সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি আইএসইউ-এর শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা এশিয়া ই ইউনিভার্সিটিতে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার নতুন সুযোগ পাবেন।