× প্রচ্ছদ বাংলাদেশ বিশ্ব রাজনীতি খেলা বিনোদন বাণিজ্য লাইফ স্টাইল ভিডিও সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ নেতার মামলায় আজ শেষ হচ্ছে প্রসিকিউশনের যুক্তি

ডেস্ক রিপোর্ট।

১২ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৫২ এএম

ছবি: সংগৃহীত।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ যুবলীগ-ছাত্রলীগের সাত শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক শেষ হচ্ছে আজ (বুধবার)।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ যুক্তি উপস্থাপন পর্ব শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রসিকিউশন জানায়, ষষ্ঠ দিনের মতো আজ মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় সমাপনী বক্তব্য উপস্থাপন করবেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। এরপরই নিজেদের যুক্তিতর্ক তুলে ধরবেন পলাতক আসামিদের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স আইনজীবীরা।

এরই মধ্যে নতুন কল রেকর্ড জমা দিয়েছে প্রসিকিউশন। এর মধ্যে ডিবিপ্রধান হারুনুর রশিদের ফোনালাপও রয়েছে। তার এ কথোপকথনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সমন্বয়কদের তুলে নিয়ে নিজ কার্যালয়ে খাবার খাওয়ানোর ছবি প্রকাশ্যে আসার প্রসঙ্গও উঠে এসেছে।

এর আগে, ৪ আগস্ট এ মামলায় প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক শুরু হয়। প্রথম দিন মামলার সামগ্রিক পটভূমি তুলে ধরেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। টানা পাঁচ কার্যদিবসে পর্যায়ক্রমে ওবায়দুল কাদের, আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের পক্ষে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত ও যুক্তি উপস্থাপন করা হয়।

প্রসিকিউশনের যুক্তি অনুযায়ী, জুলাই-আগস্টে আন্দোলন দমনে সমন্বিতভাবে নির্দেশ, প্ররোচনা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেন আসামিরা। নেতাকর্মীদের রাজপথে নামিয়ে আন্দোলন প্রতিরোধে আহ্বান জানানো, বিভিন্ন বৈঠকে সহিংসতার পরিকল্পনাসহ কোথাও কোথাও সশস্ত্র হামলা ও কঠোর দমন-পীড়নে ভূমিকা রাখার প্রমাণ হিসেবে দাখিল করা হয় বেশ কয়েকটি ফোনালাপও। একইসঙ্গে গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রেও কয়েকজন আসামির ভূমিকার কথা তুলে ধরা হয়েছে। আসামিদের এসব কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতায় দেশজুড়ে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও ব্যাপক সহিংসতার ঘটনা ঘটে বলে উল্লেখ করেছে প্রসিকিউশন।

এই মামলায় ওবায়দুল কাদের ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন— আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান। সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক।

গত ২ আগস্ট এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শেষ হয়। তদন্ত কর্মকর্তাসহ রাষ্ট্রপক্ষে সাক্ষ্য দিয়েছেন মোট ২৮ জন।

চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দেওয়া ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেওয়া হয়।

Sangbad Sarabela

সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী আবু জাফর

যোগাযোগ: । [email protected] । বিজ্ঞাপন ও বার্তা সম্পাদক: 01894944220

ঠিকানা: বার্তা ও বাণিজ্যিক যোগাযোগ : বাড়ি নম্বর-২৩৪, খাইরুন্নেসা ম্যানশন, কাঁটাবন, নিউ এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা-১২০৫।

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 Sangbad Sarabela All Rights Reserved.