সকল ধর্ম, বর্ণ ও গোত্রের মানুষের সমান অধিকার এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করতেই স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় হয়েছে। ধর্মীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা বা সংখ্যালঘুতার অজুহাতে কারও অধিকার হরণ কাম্য নয়। আগামীর বাংলাদেশ হবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের অনন্য ঠিকানা এমন মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড ও চসিক ৯ ও ১০ নম্বর ওয়ার্ড) আসনের বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী এফসিএ। সোমবার (১২ জানুয়ারি) বিকেলে সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাটস্থ্য বাসভবনে হিন্দু–বৌদ্ধ–খ্রিস্টান ঐক্য ফ্রন্টের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
হিন্দু–বৌদ্ধ–খ্রিস্টান ঐক্য ফ্রন্টের সভাপতি রতন কুমার নাথের সভাপতিত্বে এবং গোপাল শর্মার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য রাখেন আসলাম চৌধুরীর কন্যা মেহরীন আনহার উজমা, ঐক্য ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় কমিটির ধর্মবিষয়ক সম্পাদক ঝুলন কান্তি রায়, বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিব ধর তমাল, উত্তর জেলা কমিটির আহ্বায়ক জিতেন্দ্র নারায়ণ দাশ নাটু, সদস্য সচিব জুয়েল চক্রবর্তীসহ মনোজ কুমার নাথ, অমলেন্দু কনক, সুকুমার ত্রিপুরা, সুশিল দাশ, অমরেন্দু ভট্টাচার্য, নন্দন চক্রবর্তী, মোহন পাল, ধ্রুব কুমার দাম, সানন্দা সাগর ও দুলাল বড়ুয়া।
এ সময় বিএনপির স্থানীয় নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জহুরুল আলম জহুর, মো. মোরছালিন, জাকির হোসেন, ইউসুফ নিজামী, নুরুল আনোয়ার চেয়ারম্যান, বদিউল আলম বদরুল, ফজলুল করিম চৌধুরী ও খোরশেদ আলম মেম্বার প্রমুখ।
মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী চিন্তাধারায় কোনো ধর্মীয় বিভেদ ছিল না। তিনি সকল নাগরিকের সমঅধিকার নিশ্চিত করতে কাজ করেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় বেগম খালেদা জিয়া একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গঠনে আজীবন সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন। বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমানের নেতৃত্বে আধুনিক বাংলাদেশে ধর্মীয় উগ্রবাদের কোনো স্থান নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন। সভা শেষে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করা হয়।