ষড়যন্ত্র কিংবা অপপ্রচার চালিয়ে বিএনপিকে দমিয়ে রাখা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার
(১৭
জানুয়ারি) রাজধানীর চীন
মৈত্রী
আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে গুম-খুনের শিকার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে
‘আমরা
বিএনপি
পরিবার’
ও
‘মায়ের
ডাক’
আয়োজিত
আলোচনাসভায় তিনি
এসব
কথা
বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, স্বজনহারা পরিবারের সদস্যরা দেড় দশকের বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে বছরের পর বছর ধরে অসংখ্য গুম-খুন করে, অপরহণ, মিথ্যা মামলায় হয়রানি, নির্যাতনের পরও বিএনপির একজন নেতাকর্মীও কিন্তু রাজপথ ছাড়েনি।
তাদের কিছু পরিবার
এখানে
আছে।
ফ্যাসিবাদী আন্দোলনের সময়
বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দেড়
লক্ষের
বেশি
মিথ্যা
মামলা
দায়ের
করা
হয়েছে।
যার
বোঝা
৬০
লক্ষ
নেতাকর্মীকে বহন
করতে
হয়েছে।
লক্ষ
লক্ষ
নেতাকর্মীকে বছরের
পর
বছর
ঘরবাড়ি
ছেড়ে
থাকতে
হয়েছে।
তাদের বিরুদ্ধে মামলাগুলো ছিল
রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’
আমি বিশ্বাস করি যে দলের নেতাকর্মীরা এভাবে আপসহীন, কেউ ষড়যন্ত্র করে সেই দলকে দমন করে রাখতে পারবে না ইনশা-আল্লাহ।’
বিএনপি
চেয়ারম্যান আরো
বলেন,
‘বহু
বছর
দেশ,
স্বজন,
মানুষ
থেকে
দূরে
থাকতে
হয়েছে।
আমার
নেতাকর্মীদের বাইরেও
এই
স্বজনহারা মানুষ
যারা
সারা
দেশে
আছেন,
দূর
থেকে
চেষ্টা
করেছি
স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে রাজপথে
আন্দোলন গড়ে
তুলতে।
আমাদের
সামার্থ্য দিয়ে
চেষ্টা
করেছি,
স্বজনহারা মানুষের পাশে
দাঁড়াতে। আমরা
কতটুকু
পেরেছি
বা
পারিনি
সেটার
জবাব
ভিন্ন।
তবে আমাদের আন্তরিকতার কোনো
ঘাটতি
ছিল
না।
হয়তো
সীমাবদ্ধতা ছিল,
কিন্তু
আমাদের
চেষ্টা
অব্যাহত ছিল,
ভবিষ্যতেও থাকবে। তিনি
বলেন,
‘বিভীষিকাময় সে
দিনের
ও
রাতের
অবসান
হয়েছে।
বাংলাদেশের মানুষ
গণতন্ত্রের পথে
হাঁটতে
শুরু
করেছে।
যারা
স্বজন
হারিয়েছেন, তাদের
সত্যিকারভাবে সান্ত্বনা দেওয়ার
ভাষা
আমাদের
কাছে
নেই।
এক
দুঃসহ
সময়
আমরা
অতিক্রম করেছি।
এই
দুঃসময়ে এই
মঞ্চে
দাঁড়িয়ে কয়েকজন
সন্তান
তাদের
কষ্টের
কথা
উল্লেখ
করে
গেছেন।
যে
সন্তান
একমুহূর্তেও তাদের
পিতার
মুখ
দেখেনি। একমাত্র আল্লাহরাব্বুল আলামিন
জানেন,
এসব
সন্তান
তাদের
পিতাকে
দেখবে
কি
না।
অনেক
সন্তান
এখনো
অপেক্ষায় আছেন।
পিতা
হয়তো
হঠাৎ
করে
তাদের
দরজায়
এসে
কড়া
নাড়বে।
গুম
হয়ে
যাওয়া
সন্তান
হঠাৎ
করে
এসে
মা
বলে
ডাকবে।’